বিজেপির চিন্তন শিবির: পঞ্চায়েত নির্বাচনের জন্য তৈরি কৌশল, বুথ স্তরে সংগঠনের উপর জোর - press card news

Breaking

Post Top Ad

Post Top Ad

Saturday, 21 January 2023

বিজেপির চিন্তন শিবির: পঞ্চায়েত নির্বাচনের জন্য তৈরি কৌশল, বুথ স্তরে সংগঠনের উপর জোর



 পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে দুর্গাপুরে শুরু বঙ্গ বিজেপির দুদিনের চিন্তন শিবির।  চিন্তন শিবিরের প্রথম দিনেই বুথ স্তরে দলীয় সংগঠনকে শক্তিশালী করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।  এর পাশাপাশি গণসংযোগের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।  শুক্রবার দলের বৈঠকে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্টই বলেছেন যে তিনি আগামী পঞ্চায়েত নির্বাচনে জয়ী হওয়ার জন্য আন্দোলনের প্রহর গুনছেন।  পাশাপাশি বুথ পর্যায়ে দলকে শক্তিশালী করার আহ্বান জানান তিনি।



 জানা যায়, দুর্গাপুরে দুদিনব্যাপী বিজেপি চিন্তন সভা হয়েছে।  চলবে শনিবার পর্যন্ত।  সেই বৈঠকে আন্দোলনের ওপর জোর দেওয়ার বার্তা দেন শুভেন্দু।  এদিন তাঁর মুখ থেকে বামপন্থী আন্দোলনের প্রশংসাও শোনা যায়।



 বুথ স্তর থেকে দলকে শক্তিশালী করার বার্তা দিয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “বুথকে শক্তিশালী করতে হবে।  আরও আন্দোলন প্রয়োজন।  কতটা দুর্নীতি হয়েছে, কতটা আন্দোলন হচ্ছে?  বামেরা যখন কংগ্রেসকে সরিয়ে দেয়, তখন কত বুথে বাম এজেন্ট ছিল?  এই আন্দোলনই বামেদের প্রতি মানুষের বিশ্বাস তৈরি করেছিল।"  বৈঠকে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন দিলীপ ঘোষও।  শুভেন্দু অধিকারী আন্দোলনের ওপর জোর দেওয়ার কথা বললে, দিলীপ ঘোষ সংখ্যালঘুদের নিয়ে বিশেষ বার্তা দেন। তিনি বলেন, " আমাদের সংখ্যালঘুদের মধ্যে গ্রহণযোগ্যতা বাড়াতে হবে।  তাদের একপাশে রাখবেন না।  আমাদেরও তাদের কাছে পৌঁছাতে হবে।"



অন্যদিকে বুথ স্তর থেকে দলকে শক্তিশালী করার কথা মেনে নিলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।  তিনি বলেন, “25টি আসনে জয়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।  কমপক্ষে 50,000 বুথে পৌঁছাতে হবে।  সীমান্ত এলাকায় একটি সংগঠন গড়ে তুলতে হবে।  কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের বৈঠকের নির্দেশ অনুযায়ী রাজ্যের নেতাদের ওই এলাকায় গিয়ে সভা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।  সীমান্ত এলাকায় সংগঠনকে ছড়িয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।"


 

 এদিন বিজেপির রুদ্ধ কক্ষে বৈঠকে সঙ্গে সঙ্গেই নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।  অশোক দিন্দা ও অমিতাভ চক্রবর্তীর মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়।  শুভেন্দুর ঘনিষ্ঠ অশোক ডিন্ডা বলেন, “অনেক জেলাপ্রধান নিম্ন স্তরের নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখেন না।  আপনার লোকদের নিয়ে সংগঠন চালান।"  এর পরে, সংগঠনের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক অমিতাভ চক্রবর্তী তাকে বাধা দিয়ে বলেন, “এটি জেলা সভা নয়।  এখানে তাই বলবেন না।  এসব নিয়ে বহুবার আলোচনা হয়েছে।" তখন কেন্দ্রীয় তত্ত্বাবধায়ক মঙ্গল পান্ডে দুজনকেই থামিয়ে দিয়ে বলেন, “আপনার অভিযোগ শোনা গেছে।  আলোচনার মাধ্যমে সমাধান হবে।"

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad