জেনে নিন শরীর ফিট ও সুস্থ রাখতে কখন খাবেন কোন খাবার - press card news

Breaking

Post Top Ad

Post Top Ad

Tuesday, 19 July 2022

জেনে নিন শরীর ফিট ও সুস্থ রাখতে কখন খাবেন কোন খাবার

 




বেঁচে থাকার জন্য খাবার খাওয়া খুবই জরুরি। তবে এইক্ষেত্রে পুষ্টিকর খাবার খান।শরীর সুস্থ রাখা থেকে ফিট রাখতে পুষ্টিকর খাবারের গুরুত্ব অনেক। তাহলে আসুন কোন পরিস্থিতিতে কোন খাবার খাবেন।


  ব্যায়ামের আগে


ব্যায়াম করার কয়েক ঘণ্টা আগে শরীরে শক্তি জুগিয়ে নেওয়ার সঠিক সময়। স্বাস্থ্যকর হোল গ্রেইন খাবার, ময়দার টোস্ট, পাস্তা ও ব্রাউন রাইস এই সময়ের উপযোগী খাবার। এ ছাড়া বিভিন্ন রকম তাজা ফল ও সবজি আপনাকে তরতাজা রাখবে। এই সময়ে কোনোভাবেই উচ্চ প্রোটিনযুক্ত খাবার খাওয়া যাবে না। কারণ, এ ধরনের খাবার হজম করতে লম্বা সময় নেয়। আর ব্যায়ামের আগে খাবার হতে হবে হালকা, যা সহজে হজম হয়। কিন্তু ব্যায়ামের আগে খুব ক্ষুধা লাগলে খেয়ে নিতে হবে একটি পাকা কলা বা একটি আপেল।


ব্যায়ামের পরের খাবার


ব্যায়ামের আগে যেমন নির্দিষ্ট কিছু খাবার শরীরে দরকার, তেমনি ব্যায়ামের পরেও ভিন্ন রকম কিছু খাবার প্রয়োজন। ব্যায়াম শেষ করার ১ থকে ২ ঘণ্টা পর অবশ্যই নাশতা খেতে হবে। কিন্তু এই খাবারে থাকতে হবে প্রোটিন ও কার্বহাইড্রেট। এ ধরনের খাবার ব্যায়ামের পর পেশি থেকে বার্ন হওয়া শক্তি ফিরিয়ে আনবে। তখন খাওয়া যেতে পারে স্যান্ডউইচ, যাতে থাকে সবজি, দই ও ফল। এ ছাড়া খেতে পারেন প্রিটজেল, এটি একধরনের মজাদার বিস্কুট, লো ফ্যাট চকলেট মিল্ক বা হেলদি স্মুদি। আর প্রচুর পরিমাণে পানি পান করতে ভুলে গেলে চলবে না।


যখন হাইড্রেটেড হওয়া প্রয়োজন


আমাদের শরীরে তরলের চাহিদা পূরণে জল প্রধান পছন্দ। তবে জলের পাশাপাশি নানা রকম জলযুক্ত ফল ও সবজি খেতে হবে। যার মধ্যে রয়েছে তরমুজ, বাঁধাকপি, সেলারি, শসা, স্ট্রবেরি ও ফুলকপি।


দুশ্চিন্তা মুক্ত থাকতে


আপনি জেনে অবাক হবেন, প্রতিদিনের দুশ্চিন্তা কমাতেও আছে কিছু খাবার। মিনারেল জিঙ্ক আছে, এমন খাবার মানসিক চাপ ও উদ্বেগ কমায়। ডিমের কুসুম ও কাজুবাদাম এর ভালো উৎস। গবেষণা বলে, স্ট্রেস কমে স্যামন মাছ খেলেও। এতে আছে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড। এ ছাড়া আচার খেলেও নাকি সামাজিক দুশ্চিন্তা কমে, এমন প্রমাণ গবেষণায় পাওয়া গেছে।


ব্যস্ত দিনের খাবার


খুব ব্যস্ত দিনের খাবার হতে হবে এমন, যা দীর্ঘ সময় আপনাকে শক্তি দেবে। বেশি বেশি ফাইবার আছে, এমন খাবারই এই সময়ের আদর্শ খাবার। ওটমিল হতে পারে সকালের পারফেক্ট একটি নাশতা। গবেষণা বলে, বিটা গ্লুকান–জাতীয় ফাইবার দীর্ঘ সময় শক্তি দেবে। আর কমপ্লেক্স কার্বোহাইড্রেট, যেমন ওটস মস্তিষ্ককে ঠান্ডা রাখবে।শারীরিক সমস্যায়,ঠান্ডা লাগলে, সর্দি হলে খাবার খেতে হবে গরম–গরম। চিকেন স্যুপ এ সময়ে উপকার দেবে। এই খাবারে আছে অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরি উপাদান। এ ছাড়া পেটখারাপ হলে বা ডায়রিয়া হলে খাওয়া যেতে পারে কলা, ভাত, আপেল সস ও টোস্ট।


গর্ভধারণের আগে


গর্ভধারণের আগেখাবার নির্বাচনে সচেতন হওয়া খুব জরুরি। শিশুর জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টির কথা চিন্তা করেই খাবার খেতে হবে। সবজি , ডাল, বিভিন্ন ধরনের ফল, যেমন কমলা, লেবু, কলা, তরমুজ, স্ট্রবেরি ইত্যাদি। এ ছাড়া ফার্টিলিটিকে প্রভাবিত করে, এমন খাবার প্রতিবেলাতেই খেতে হবে। গবেষণা বলে, ফুল ফ্যাট ডেইরি, হোল গ্রেইন ও সবজি আর ফল থেকে পাওয়া প্রোটিন খুবই উপকারী।


ত্বকের যত্নের জন্য


ত্বকের যত্নে বেশ কিছু খাবার উপকারী। আবার অনেক খাবার ত্বকের জন্য ক্ষতিকারক, যেমন বেশি বেশি চকলেট খেলে ত্বকের ক্ষতি হয়। কিছু গবেষণা বলে, লো গ্লাইসেমিকযুক্ত খাবার ব্রণ কমাতে সাহায্য করে। সে ক্ষেত্রে ভালো পছন্দ হতে পারে তাজা সবজি, বিনস ও ওট।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad