সন্তান নিতে চাইছেন? নজর দিন এইদিকে - press card news

Breaking

Post Top Ad

Post Top Ad

Friday, 15 July 2022

সন্তান নিতে চাইছেন? নজর দিন এইদিকে


বিয়ের কয়েক বছর পর প্রত্যেক দম্পতি চায় তাদের জীবনে ছোট্ট এক অতিথি আসুক। কর্মজীবী ​​দম্পতি তাদের জীবনকে এমনভাবে পরিকল্পনা করেন, যে তারা তাদের সম্পর্ক এবং কর্মজীবনের দিকে মনোনিবেশ করার জন্য বিয়ের কয়েক বছর পরে তাদের সন্তানের জন্য প্রস্তুতি শুরু করেন। কিন্তু এসবের মাঝে অনেক সময় স্বাস্থ্য সমস্যা শুরু হয় বা জীবনযাত্রার কারণে বন্ধ্যাত্বের সমস্যা দেখা দেয়, যার কারণে গর্ভধারণ সম্ভব হয় না। বন্ধ্যাত্বের এই সমস্যা নারী ও পুরুষ উভয়েরই হতে পারে। তবে কিছু জিনিস মেনে চললে এবং খাবারের দিকটা খেয়াল রাখলে এই সমস্যা এড়ানো সম্ভব। যেমন-


ডালিম 

বাবা-মা হওয়ার সক্ষমতা বাড়াতে ডালিম খাওয়া খুবই উপকারী। এটি জরায়ু এবং এর সাথে সম্পর্কিত অঙ্গগুলিতে রক্ত ​​​​সঞ্চালন বাড়ায়, সেইসাথে জরায়ুর আস্তরণকে পুরু করে, ভ্রূণের বিকাশের জন্য যথেষ্ট শক্তি দেয়। ডালিম খেলে পুরুষদের স্পার্ম কাউন্ট বেড়ে যায়। আপনি প্রতিদিন দুটি ডালিম খেতে পারেন অথবা এক কাপ তাজা ডালিমের রস দিনে দুবার বানিয়ে খেতে পারেন। তবে, এর বেশি পরিমাণে ডালিম খাওয়া বা এর রস পান করলে ক্ষতি হতে পারে।


অশ্বগন্ধা

বন্ধ্যাত্ব সম্পর্কিত একটি বড় সমস্যা হল পুরুষদের অন্ডকোষের সঠিক কার্যকারিতার অভাব এবং টেস্টোস্টেরন হরমোনের কম উৎপাদন। এই কারণটি কাটিয়ে উঠতে অশ্বগন্ধা একটি অত্যন্ত কার্যকর আয়ুর্বেদিক ওষুধ। এই ওষুধটি শুধুমাত্র পুরুষদের জন্যই নয়, মহিলাদের জন্যও খুবই উপকারী এবং সন্তান জন্ম দেওয়ার সক্ষমতা বাড়াতে এটি পুরুষ ও মহিলা দুজনেই খেতে পারেন। ৫ গ্রাম অশ্বগন্ধা হালকা গরম দুধের সাথে দিনে দু'বার খেতে পারেন। তবে আরও ভালো হবে, যদি আপনি একজন ভালো ডাক্তারের সঙ্গে পরামর্শের পরেই এটি গ্রহণ করেন।


শতভারী 

মহিলাদের প্রজনন ক্ষমতা বাড়াতে শতবরী খাওয়া খুবই উপকারী। গর্ভধারণের প্রক্রিয়া সহজ করার পাশাপাশি এটি সঙ্গমের ইচ্ছাও বাড়ায়। এর ব্যবহারে ইস্ট্রোজেনের ক্ষরণ বেড়ে যায় এবং পিরিয়ড সংক্রান্ত সমস্যাও দূরে থাকে।


এই বিষয়গুলো মাথায় রাখুন

এখানে উল্লিখিত জিনিসগুলি খাওয়ার পাশাপাশি আপনাকে অবশ্যই লাইফস্টাইল সম্পর্কিত কিছু বিষয় মাথায় রাখতে হবে। এই ছোট জিনিসগুলিও সন্তান জন্ম দেওয়ার সক্ষমতার ওপর বড় প্রভাব ফেলে। যেমন-


মানসিক চাপ। চেষ্টা করবেন এর থেকে নিজেকে দূরে রাখতে। এর জন্য প্রতিদিন- ধ্যান করুন,


প্রতিদিন হাঁটাহাঁটি করুন। এছাড়াও ঘুমানোর সময় এবং ঘুম থেকে ওঠার সময় নির্ধারণ করুন।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad