'তৃণমূল নেতারা চা খেয়ে উঠে গেলেও নোটের বান্ডিল পড়ে থাকে': দিলীপ ঘোষ - press card news

Breaking

Post Top Ad

Post Top Ad

Sunday, 11 September 2022

'তৃণমূল নেতারা চা খেয়ে উঠে গেলেও নোটের বান্ডিল পড়ে থাকে': দিলীপ ঘোষ


'তৃণমূল নেতারা যেখানে বসে চা খায়-মিটিং করে, চলে গেলেই দেখবেন দু-চারটে বান্ডিল পড়ে থাকে', কটাক্ষ দিলীপ ঘোষের। রবিবার সকালে বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুরের পোড়ামাটির হাটে দলের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে চা চক্রে যোগ দেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ। সেখানেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি একথা বলেন।


অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের শ্যালিকা মেনকা গম্ভীরকে বিমান বন্দরে আটকে দেওয়া প্রসঙ্গে জানতে চাইলে দিলীপ ঘোষ বলেন, কোনও তৃণমূল নেতা বা তার আত্মীয় যেন দেশ ছাড়তে না পারে। সরকারী সম্পত্তি, গরীবের সম্পত্তি লুট করে বিদেশে ফূর্তি করতে যাবেন, আর এখানে লোক খেতে পাবেন না। ফ্রি রেশনটা পর্যন্ত লুট করে নিচ্ছে।'


প্রত্যেকটা লোকের পেছনে কেন্দ্রীয় এজেন্সি লাগানো উচিৎ আর জিজ্ঞাসাবাদ করা উচিৎ, বলেই দাবী দিলীপের। তাঁর অভিযোগ, কোথায় কোথায় টাকা-পয়সা লুকানো হয়েছে, কত সম্পত্তি গেছে, এর কোনও সীমা-পরিসীমা নেই। দিলীপ ঘোষ বলেন, "আমরা এখানে বসে চা খাচ্ছি এক কাপ করে, টাকার চিন্তা করছি, হিসাব করছি আর টিএমসি নেতারা যেখানে বসে চা খায়-মিটিং করে, উঠে চলে গেলে দেখবেন দু-চারটে বান্ডিল পড়ে থাকে। এত টাকা, যে রাখার জায়গা নেই।"


ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকে টাকা উদ্ধার প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, এরাজ্যে খাটের তলায় টাকা থাকবে কে ভেবেছিল? ববি হাকিম বলছেন এগুলো নাকি বাংলার অর্থনীতি! কালো টাকায় বাংলার অর্থনীতি চলবে, কে ভেবেছিল', মন্তব্য দিলীপের।


পাশাপাশি তার অভিযোগ, তৃণমূল সমাজের লোককে চুরি করা শিখিয়েছে। তিনি বলেন, 'এরা পুলিশ, সরকারি আধিকারিকদের বাধ্য করেছে, নাহলে চাকরি করতে পারবেন না। পুলিশকে চুরি করা শিখিয়েছে, আর এখন সেটাই অভ্যাসে পরিণত হয়ে গেছে। পুরো পুলিশ প্রশাসন সমাজ সবাইকে কলুষিত করেছে। এদের তো উপরে জায়গা হবেই না, নরকে যেতে হবে। তার আগে যেন জেল হয়ে যায়।'

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad