জনগণ মন-বন্দে মাতরমের মর্যাদা সমান হওয়া উচিৎ, হাইকোর্টে আবেদন কেন্দ্রের - press card news

Breaking

Post Top Ad

Post Top Ad

Saturday, 5 November 2022

জনগণ মন-বন্দে মাতরমের মর্যাদা সমান হওয়া উচিৎ, হাইকোর্টে আবেদন কেন্দ্রের



 জনগণ মন এবং বন্দে মাতরমের সমান মর্যাদা রয়েছে এবং নাগরিকদের উভয়কে সমান সম্মান দেওয়া উচিৎ। দিল্লী হাইকোর্টে দায়ের করা একটি পিআইএল-এর জবাব দিতে গিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার এ কথা বলেছে।  এই আবেদনে দাবী করা হয়েছিল যে বন্দে মাতরমকেও একই মর্যাদা ও সম্মান দেওয়া উচিৎ, যা জাতীয় সঙ্গীতকে দেওয়া হয়।  এ ছাড়া জাতীয় সঙ্গীতের সম্মানের বিষয়ে নির্দেশনা প্রণয়নেরও দাবী জানানো হয়।  এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয়, সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় ও আইন মন্ত্রণালয়কে নোটিশ দিয়ে তাদের জবাব চেয়েছে হাইকোর্ট।



 এই আবেদনে এটাও দাবী করা হয়েছে যে কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারগুলিকে সিদ্ধান্ত নিতে নির্দেশ দেওয়া হোক যে প্রতিটি কর্মদিবসে স্কুল এবং অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জন গণ মন এবং বন্দে মাতরম গাওয়া উচিৎ।  এ ছাড়া ১৯৫০ সালের ২৪ জানুয়ারি গণপরিষদে গৃহীত প্রস্তাব অনুযায়ী উভয়ের সম্মানের জন্য নির্দেশিকা নির্ধারণ করতে হবে।  আবেদনকারী অশ্বিনী কুমার উপাধ্যায় বলেছিলেন যে "ভারত রাজ্যগুলির একটি ইউনিয়ন।  এটি একটি ফেডারেশন নয়।"  তিনি বলেছিলেন যে "আমাদের একটিই জাতীয়তা রয়েছে এবং তা হল ভারতীয়তা।  বন্দে মাতরমকে সম্মান করা আমাদের সকলের দায়িত্ব।"




তিনি বলেছিলেন যে দেশকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে, জনগণ মন এবং বন্দে মাতরমকে যাতে সম্মান করা যায় তার জন্য একটি জাতীয় নীতি তৈরি করা সরকারের দায়িত্ব।  আবেদনকারী বলেন যে বন্দে মাতরম কীভাবে কারও অনুভূতিতে আঘাত করতে পারে তা বোধগম্য নয়, যখন উভয়কেই সংবিধানের প্রণেতারা বেছে নিয়েছেন।  তিনি বলেন, জনগণ মননে জাতির চেতনা সামনে আসে।  একই সঙ্গে বন্দে মাতরম জাতির চরিত্র, তার জীবনধারার বহিঃপ্রকাশ।  তিনি বলেছিলেন যে প্রত্যেক ভারতীয়কে বন্দে মাতরমকে সম্মান করা উচিৎ।  এটা হতে পারে না যে কেউ বন্দে মাতরম গাইতে অস্বীকার করে।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad