প্রেসকার্ড নিউজ বিনোদন ডেস্ক, ২৭ জানুয়ারি : ২০২২ সালে সাতপাকে বাঁধা পড়েছিলেন টলিপাড়ার দুই চেনা মুখ, অঙ্কিতা চক্রবর্তী এবং প্রান্তিক বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু বিয়ের মাত্র ৩ বছর ঘুরতে না ঘুরতেই দাম্পত্য জীবনে ইতি টেনেছেন এই তারকা জুটি। এক সাক্ষাৎকারে বিচ্ছেদের বিষয়টা অকপটে স্বীকার করে প্রান্তিক বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, যে প্রশ্নের উত্তর আছে, সেটা তো দেওয়াই যায়। এখানে লুকানোর তো কিছু নেই। এতদিনের বন্ধুত্ব, তারপর বৈবাহিক জীবন. এখন বিচ্ছেদ। অঙ্কিতার সঙ্গে সম্পর্ক থাকবে কিনা জানতে চাইলে অভিনেতা বলেন, নাম পাল্টায়, সম্পর্ক পাল্টায় নাকি! সম্পর্ক সবসময় থাকে। আমরা নামের পরিচিতি পাল্টাতে থাকি। আজ এ বন্ধু হয়েছে, কাল সে কাছের বন্ধু হয়েছে, তারপর সে আরও বেশি ভাল বন্ধু হয়েছে, আর শেষে ছেলেটা একদম ভাল ছিল না। এই চারটে জিনিস আমরা এক মুহূর্তে বলে দিই। বন্ধুত্ব একটা বিশাল জায়গা। যখনই সেটাকে একটা সম্পর্কের নাম দেবে, তখনই সেটা একটা বাড়তি দায়িত্ব হয়ে যায়।
ছোট থেকে অভাবকে সঙ্গী করে নিয়েই বড় হয়েছেন, শুরুতে পথচলা খুব একটা সহজ ছিল না তবুও ইন্ডাস্ট্রি জগতে নিজেকে গড়েছেন অভিনেতা প্রান্তিক ব্যানার্জি। ছোটবেলা থেকে বাবা সংসারের হাল ধরেননি বলে সমস্ত দায়িত্ব এসে পরে অভিনেতার মায়ের উপর।
সংসারের মৌলিক চাহিদা গুলো পূরণ করা কষ্টকর হয়ে উঠেছিল তখন। এমনকি স্কুলের ফি জমা দেওয়ার ক্ষেত্রেও হিমশিম খেতে হয়েছে অভিনেতার মাকে। সংসার চালানোর জন্য অভিনেতার মাকে গয়না পর্যন্ত বিক্রি করতে হয়েছে। তবুও হার মানেনি তার মা।
কষ্টকর জীবনযাপনের মাঝেও অভিনেতার কাছে তার মা-ই ছিল আলোর দিশা। তখন থেকেই মনে মনে স্থির করেন নিজের পরিচিতি গড়ে তোলার। থিয়েটার থেকে টেলিভিশন, তারপর সিনেমা, একের পর এক প্রতিকূলতা পেরিয়ে আজ ছোটপর্দা থেকে শুরু বড়পর্দা সবক্ষেত্রেই পরিচিত মুখ প্রান্তিক ব্যানার্জি।
সম্প্রতি প্রান্তিক ও তার মা দিদি নং ১-এ খেলতে এসে নিজেদের গল্প শেয়ার করেন রচনা ব্যানার্জির সাথে। সেখানেই প্রান্তিকের মা জানায় প্রান্তিকের ছোট ভাইও আছে। তারা আসলে যমজ। ছোটভাই দিল্লিতে থাকে আর প্রান্তিক তার মায়ের সাথেই থাকেন।

No comments:
Post a Comment