ন্যাশনাল ডেস্ক, ১৯ জানুয়ারি ২০২৬: কাজ থেকে ছুটি নিয়ে ছোট্ট ছেলের পরীক্ষার রেজাল্ট আনতে স্কুলে গিয়েছিলেন বাবা। স্কুল চত্বরেই ঘটে গেল এক মর্মান্তিক ঘটনা। ছেলের রেজাল্ট দেখার পরই হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। তাঁকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও শেষ রক্ষা হয়নি, মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন তিনি। মর্মান্তিক এই ঘটনাটি ঘটেছে আসামের জোরহাটে।
সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুসারে, ১৫ই জানুয়ারি জোরহাটের একটি স্কুলে এই ঘটনাটি ঘটে। ছেলের পরীক্ষার ফলাফল নিতে স্কুলে গিয়ে এক বাবা পড়ে যান এবং সেখানেই তিনি মারা যান। মৃত ব্যক্তির নাম দীপঙ্কর বোরদোলই, বয়স ৩৫ বছর। তিনি কচ্ছ গড়াল এলাকার সোনারি গ্রামের বাসিন্দা।
সূত্র অনুসারে, বোরদোলইয়ের ছেলে ইউকেজিতে পড়ে এবং তিনি তাঁর ছেলের পরীক্ষার ফলাফল নিতে স্কুলে এসেছিলেন। ফলাফল পাওয়ার কিছুক্ষণ পরেই হঠাৎ তাঁর স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটে এবং তিনি পড়ে যান। স্কুলে উপস্থিত লোকেরা তাঁকে জরুরি চিকিৎসার জন্য তৎক্ষণাৎ জোরহাট মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে নিয়ে যান, কিন্তু ততক্ষণে তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েছেন। চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। পুরো ঘটনাটি স্কুলের সিসিটিভি ক্যামেরায় রেকর্ড করা হয়েছে, যা এখন সোশ্যাল মিডিয়ায়ও সামনে এসেছে।উল্লেখ্য, দীপঙ্কর ছিলেন সেচ বিভাগের একজন প্রকৌশলী।
এদিকে এই ঘটনার পর স্কুল ক্যাম্পাসে শোকের ছায়া নেমে আসে। শিক্ষক, অভিভাবক এবং শিক্ষার্থীরা তাঁর এই আকস্মিক মৃত্যুতে গভীরভাবে মর্মাহত। দীপঙ্কর বোরদলোই তেওক বিভাগের অধীনে সেচ বিভাগে একজন নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তাঁর অকাল মৃত্যুতে তাঁর পরিবার, সহকর্মী এবং স্থানীয় মানুষেরা গভীর শোকের ডুবে যান। তবে, প্রকৌশলীর মৃত্যুর সঠিক কারণ এখনও অজানা।তবে, এনডিটিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, দীপঙ্করের মৃত্যুর কারণ হৃদরোগ বলে মনে করা হচ্ছে। পুলিশ এখনও এই বিষয়ে কোনও বিবৃতি জারি করেনি।

No comments:
Post a Comment