প্রেসকার্ড নিউজ বিনোদন ডেস্ক, ৩০ জানুয়ারি ২০২৬, ০৯:০০:০১ : হনুমানকে কলিযুগের জাগ্রত দেবতা হিসেবে বিবেচনা করা হয়। বিশ্বাস করা হয় যে গোস্বামী তুলসীদাস রচিত হনুমান চালিসা পাঠ করলে জীবনের সকল ঝামেলা, অসুস্থতা এবং ভয় দূর হয়। ২০২৬ সালের আধ্যাত্মিক পরিবেশে, যেখানে মানসিক শান্তির সন্ধান তীব্রতর হবে, সেখানে এর পূর্ণ সুফল পেতে এটি পাঠ করার সময় কিছু কঠোর নিয়ম মেনে চলা অপরিহার্য বলে মনে করা হয়। অতএব, হনুমান চালিসা পাঠের মূল নিয়ম এবং সতর্কতা এখানে দেওয়া হল...
হনুমান চালিসা পাঠে কে নিয়ম
সময় এবং পবিত্রতার গুরুত্ব -
ব্রহ্ম মুহুর্ত (ভোর ৪টা থেকে ৬টা) অথবা সন্ধ্যাকাল (রবিবার) হনুমান চালিসা পাঠের জন্য সর্বোত্তম সময় হিসেবে বিবেচিত হয়। পাঠের আগে স্নান করুন এবং পরিষ্কার পোশাক পরুন। সম্ভব হলে মঙ্গলবার এবং শনিবার লাল বা কমলা রঙের পোশাক পরুন, কারণ এই রঙগুলি বজরঙ্গবলীর খুব প্রিয়।
সঠিক ভঙ্গি এবং দিকনির্দেশনা -
পঠন করার সময় পশমী বা কুশ মাদুরে মাটিতে বসুন। পূর্ব বা দক্ষিণ দিকে মুখ করুন। দক্ষিণ দিককে হনুমানের শক্তির দিক হিসেবে বিবেচনা করা হয়, কারণ তিনি এই দিক থেকেই লঙ্কা জয় করেছিলেন।
রামের নাম স্মরণ করা -
হনুমান ভগবান রামের একজন মহান ভক্ত। হনুমান চালিসা শুরু করার আগে ভগবান রাম এবং মা সীতার ধ্যান করা অপরিহার্য। রামের নাম ছাড়া হনুমানের পূজা করা অসম্পূর্ণ বলে মনে করা হয়।
জলের পাত্র এবং প্রদীপ -
পাঠ শুরু করার আগে, আপনার সামনে পরিষ্কার জলে ভরা একটি তামার পাত্র রাখুন। এছাড়াও, ঘি বা জুঁই তেল দিয়ে একটি প্রদীপ জ্বালান। পাঠ শেষ হওয়ার পরে, জলটি প্রসাদ হিসাবে গ্রহণ করুন এবং ঘরের কোণে ছিটিয়ে দিন। এতে নেতিবাচক শক্তি ধ্বংস হয়।
শৃঙ্খলা এবং ব্রহ্মচর্য -
হনুমান একজন শিশু ব্রহ্মচারী, তাই ধ্যানের সময় চিন্তা, কথা এবং কাজে ব্রহ্মচারীতা পালন করা অপরিহার্য। চালিসা পাঠকারী ব্যক্তির মাংস, মদ্যপান এবং আমিষ খাবার থেকে সম্পূর্ণ বিরত থাকা উচিত।
বিশেষ সতর্কতা (করবেন না) -
মাঝখানে উঠে পড়বেন না: একবার আবৃত্তি শুরু করার পর, কারও সাথে কথা বলবেন না বা স্থান ত্যাগ করবেন না।
স্পষ্ট উচ্চারণ: চালিসার শ্লোকগুলি স্পষ্টভাবে এবং সঠিকভাবে উচ্চারণ করুন। তাড়াহুড়ো করে আবৃত্তি করবেন না।
নিয়মিততা: যদি আপনি ২১ বা ৪০ দিনের জন্য ব্রত করে থাকেন, তাহলে একটিও দিন মিস করবেন না।

No comments:
Post a Comment