ন্যাশনাল ডেস্ক, ৩০ জানুয়ারি ২০২৬: ছয় বছরের শিশুকন্যাকে গণধর্ষণ। অভিযোগের তির ৩ জন নাবালকের বিরুদ্ধে। ঘটনা উত্তর-পূর্ব দিল্লীর ভজনপুরা থানা এলাকার। জানা গিয়েছে, ১৮ জানুয়ারি গামদি রোড এলাকায় এই ঘটনাটি ঘটেছে। ঘটনায় হতবাক।
প্রাপ্ত তথ্য অনুসারে, তিন অভিযুক্ত নাবালকই ভজনপুরা থানা এলাকার একটি কারখানায় কাজ করে। আরও জানা গেছে যে, অভিযুক্ত নাবালকরা দিল্লীর বাইরের বাসিন্দা। এই নাবালকরা শিশুকন্যাকে টাকার প্রলোভন দেয় এবং তাঁর সঙ্গে দুষ্কর্ম করে।
ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি হিন্দু সংগঠনের কর্মীরা রাস্তায় নেমে আসেন। পরের দিন হিন্দু সংগঠনগুলি অভিযুক্তদের অবিলম্বে গ্রেপ্তারের দাবীতে গামদি রোড অবরোধ করে। রাস্তা অবরোধের ফলে এলাকায় যান চলাচল ব্যাহত হয়, যার ফলে বাসিন্দাদের অসুবিধার সম্মুখীন হতে হয়।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পুলিশ আধিকারিকরা বিক্ষোভকারী হিন্দু সংগঠনের কর্মীদের সাথে কথা বলে রাস্তাটি পুনরায় চালু করতে তাদের বোঝান। পুলিশ জনসাধারণকে আশ্বস্ত করে যে, মামলায় কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং কোনও অভিযুক্তকে রেহাই দেওয়া হবে না। এর পর, বিক্ষোভকারীরা শান্তিপূর্ণ অবস্থান গ্রহণ করে রাস্তা থেকে সরে যায়।
পুলিশ জানিয়েছে, মামলায় দ্রুত পদক্ষেপ করে অভিযুক্ত দুই নাবালককে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তাদের দুজনের বিরুদ্ধেই আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে এবং তাদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত তৃতীয় নাবালক পলাতক রয়েছে বলে জানা গেছে। পুলিশ তাকে খুঁজতে অভিযান চালাচ্ছে। পুলিশ আধিকারিকরা বলছেন, পলাতক নাবালককেও শীঘ্রই গ্রেফতার করা হবে।
পুলিশ জানিয়েছে, মামলার গুরুত্ব বিবেচনা করে সমস্ত আইনি দিক বিবেচনা করা হচ্ছে। মেয়েটি এবং তার পরিবারকে সম্ভাব্য সকল সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে। পুলিশ জানিয়েছে, তদন্ত শেষ হওয়ার পরে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এই ঘটনা আবারও শিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ এবং উদ্বিগ্ন। তারা এই ধরণের ঘটনা যাতে আবার না ঘটে সেজন্য অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোরতম ব্যবস্থা নেওয়ার দাবী জানাচ্ছেন।

No comments:
Post a Comment