কলকাতা, ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬: বাংলাদেশের নির্বাচনে তারেক রহমানের বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ঐতিহাসিক জয়লাভ করেছে। তিনি ১৭ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন বলে জানা গেছে। এর জন্য বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের কাছে আমন্ত্রণপত্র পাঠানো হয়েছে। এই আবহেই, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তারেক রহমানকে ফুল ও মিষ্টি পাঠিয়ে তাঁর বিজয়ের জন্য অভিনন্দন জানিয়েছেন।
ঐতিহাসিক মহলের একাংশের অভিমত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই পদক্ষেপ কেবল তাঁকে তাঁর নির্বাচনী জয়ের জন্য অভিনন্দনই নয় বরং দুই দেশের মধ্যে সাংস্কৃতিক ও ভৌগোলিক সম্পর্ক জোরদার করার তার প্রচেষ্টার প্রতিফলনও।
বিএনপি চেয়ারম্যানের রাজনৈতিক কার্যালয় জানিয়েছে যে, শনিবার বিএনপি চেয়ারম্যানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে (গুলশানে) বিএনপি মিডিয়া সেলের সদস্য আতিউর রহমান রুমান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাঠানো ফুল ও মিষ্টির তোড়া গ্রহণ করেন।
এর আগে শুক্রবার, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্স-এ তারেক রহমানকে "তারেক ভাই" সম্বোধন করে অভিনন্দন জানান। তিনি পোস্টে লেখেন, "বাংলাদেশের সকল ভাই-বোনকে, জনগণকে জানাই আমার আন্তরিক শুভনন্দন। আমার আগাম রমজান মোবারক। বাংলাদেশের এই বিপুল জয়ের জন্য আমার তারেকভাইকে, তাঁর দলকে ও অন্যান্য দলকে। সবাই ভালো থাকুন, সুখী থাকুন। আমাদের সঙ্গে সব সময় বাংলাদেশের সুসম্পর্ক বজায় থাকবে, এটাই আমরা কামনা করি।"
উল্লেখ্য, বাংলাদেশের ১৩তম সংসদ নির্বাচনে বিএনপি দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে। এবারে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে চলেছেন। ১৭ ফেব্রুয়ারি তাঁর শপথ গ্রহণের কথা রয়েছে। তাঁর জাঁকজমকপূর্ণ শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের কাছে আমন্ত্রণ পাঠানো হচ্ছে। ১৭ বছর নির্বাসিত (লণ্ডনে) থাকার পর ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে ফিরে আসা তারেক রহমানের এই জয়কে তাঁর রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে একটি বড় পরিবর্তন বলে মনে করা হচ্ছে। নির্বাচনের ফলাফলের পর, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান নোবেল বিজয়ী মহাম্মদ ইউনূস-সহ অনেক আন্তর্জাতিক নেতাও তাঁকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।


No comments:
Post a Comment