প্রেসকার্ড নিউজ ওয়ার্ল্ড ডেস্ক, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৭:৫৫:০১ : ইজরায়েল সফরে পৌঁছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ও তাঁর স্ত্রী। বিমানবন্দরে তাঁকে গার্ড অব অনার দেওয়া হয়। এরপর ইজরায়েলি সংসদে ভাষণ দিতে গিয়ে মোদী বলেন, “সমস্ত ভারতের পক্ষ থেকে আপনাদের শুভেচ্ছা জানাই। আবার এখানে আসতে পেরে আমি গর্বিত ও আনন্দিত।”
তিনি ভারত-ইজরায়েল সম্পর্ক, সন্ত্রাসবাদ, বাণিজ্য ও উদ্ভাবন নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন। নিচে তাঁর ভাষণের মূল ১০টি দিক সংক্ষেপে তুলে ধরা হল—
১. হামাস হামলা নিয়ে শোকপ্রকাশ
৭ অক্টোবরের হামলায় নিহতদের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে তিনি বলেন, ভারত ইজরায়েলের পাশে ছিল, আছে এবং থাকবে।
২. সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স
মোদি বলেন, নিরীহ মানুষের খুনের কোনও যুক্তি নেই। ভারতের মতো ইজরায়েলও সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে বিশ্বাসী।
৩. বৈশ্বিক ঐক্যের আহ্বান
সন্ত্রাসবাদ বিশ্বশান্তির জন্য বড় হুমকি—এটি মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জরুরি বলে তিনি উল্লেখ করেন।
৪. হলোকাস্টের স্মৃতি
হলোকাস্টকে মানবতার অন্ধকার অধ্যায় বলে উল্লেখ করে তিনি মানবিকতার উদাহরণ হিসেবেও কিছু ঘটনার কথা স্মরণ করেন।
৫. বাণিজ্য ও বিনিয়োগে জোর
দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য বৃদ্ধি, বিনিয়োগ বাড়ানো ও যৌথ অবকাঠামো উন্নয়নে প্রতিশ্রুতির কথা বলেন।
৬. স্টার্টআপ ও ইনোভেশন
ইজরায়েলকে ‘স্টার্টআপ নেশন’ বলে উল্লেখ করে মোদি বলেন, দুই দেশ মিলেই তরুণদের উদ্ভাবনী শক্তিকে এগিয়ে নিচ্ছে।
৭. সাংস্কৃতিক ও দার্শনিক মিল
ভারত ও ইজরায়েল—দুই প্রাচীন সভ্যতার মধ্যে ‘বসুধৈব কুটুম্বকম’ ও ‘টিক্কুন ওলাম’-এর মতো ধারণার মিল তুলে ধরেন।
৮. গাজা শান্তি উদ্যোগে সমর্থন
তিনি বলেন, গাজা অঞ্চলে স্থায়ী শান্তির জন্য ভারত সব প্রচেষ্টাকে সমর্থন করে এবং ফিলিস্তিন সমস্যার সমাধান জরুরি।
৯. ঐতিহাসিক সম্পর্ক ও যোগ
প্রথম বিশ্বযুদ্ধে ভারতীয় সৈনিকদের অবদানের কথা স্মরণ করেন এবং ইজরায়েলে যোগের জনপ্রিয়তা বাড়ার কথাও উল্লেখ করেন।
১০. ভারতের অর্থনৈতিক অগ্রগতি
ভারত দ্রুত বেড়ে ওঠা অর্থনীতি হিসেবে শিগগিরই বিশ্বের শীর্ষ তিন অর্থনীতির মধ্যে উঠে আসবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

No comments:
Post a Comment