বিয়ের ১১ বছর পর স্বামী সপ্তর্ষিকে নিয়ে মুখ খুললেন সোহিনী - Press Card News

Breaking

Post Top Ad

Post Top Ad

Monday, February 2, 2026

বিয়ের ১১ বছর পর স্বামী সপ্তর্ষিকে নিয়ে মুখ খুললেন সোহিনী



প্রেসকার্ড নিউজ বিনোদন ডেস্ক, ১ ফেব্রুয়ারি : টলিপাড়ার চর্চিত জুটি সোহিনী সেনগুপ্ত ও সপ্তর্ষি মৌলিক। কারণ একটাই সোহিনী সপ্তর্ষির থেকে ১৪ বছরের বড়। সোহিনীর প্রথম স্বামী ছিলেন অভিনেতা গৌতম হালদার। যদিও খুব বেশি দিন একসঙ্গে সংসার করা হয়নি তাদের। ২০০৬ সালে গৌতমের সঙ্গে ডিভোর্সের পর ২০১৩ সালে ১৪ বছরের ছোট সপ্তর্ষি মৌলিকের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন সোহিনী।



বয়সে ছোট বরকে নিয়ে কম কটাক্ষ, ব্যঙ্গ শুনতে হয়নি সোহিনীকে। অনেকেই সপ্তর্ষিকে তার ছেলে বলেও বিদ্রুপ করেন। এবার সেই সবটা নিয়ে মুখ খুললেন সোহিনী।



স্টেট আপ ইউথ শ্রী পডকাস্টে সোহিনী এই প্রসঙ্গে বলেন, ‘আমি এটা ভাবিনি। আমার সব সময় মনে হয়েছিল সপ্তর্ষি আমার থেকে অনেকটা বড়। ও আমাকে অনেক কিছু থেকে বাঁচায়। আমি এটা তখনও ভাবিনি, এখনও ভাবি না। এখনও আমি শুনি দু’ একজন বলে, ও নাকি পালিয়ে যাবে। আমি সে কথা ওঁকে এসে বলিও। সঙ্গে বলি, ‘আমিও তো পালাতে পারি’। তারপর ও আমাকে বলে, ‘তুমি পালাতে পারবে না। কারণ আমি বেস্ট’।’


সোহিনীর বাবা রুদ্রপ্রসাদ সেনগুপ্ত ও মা স্বাতীলেখা সেনগুপ্তর ‘নান্দীকার’ নাট্যদলেই কাজ করতেন সপ্তর্ষি।

সপ্তর্ষির সঙ্গে সংসার জীবন নিয়ে সোহিনী বলেন, ‘তখন সপ্তর্ষি নান্দীকার থেকে স্টাইপেন পেত। মাস গেলে ৬০০ বা ৭০০ টাকা পেত।’ পাশ থেকে সপ্তর্ষি তা সংশোধন করে বলেন, ‘একটু বেড়ে ছিল ১৫০০ টাকা।’ তখন আমাদের বিয়ে হয়েছে। আমি তখন স্কুলে চাকরি করি।

ও ওঁর পাওয়া পুরো টাকাটাই সংসারের জন্য দিয়ে দিত। তখন শ্যামবাজারে আমাদের রিহার্সাল হত। আমি একটা সময় খেয়াল করলাম ওঁর ফিরতে দেরি হচ্ছে। কারণটাও বুঝলাম ও হেঁটে রাজাবাজার থেকে শ্যামবাজার পুরো রাস্তাটা যাতায়াত করত।’


সোহিনী আরও বলেন, ‘সেই সময় ওকে একদিন একটা খাবার দিয়েছিলাম। ও খেতে চায়নি। আমি ওঁকে জিজ্ঞাসা করি যে, ও কেন খেতে চাইছে না। তখন ও বলে, ‘আমি সংসারে যা টাকা দিই তাতে এই খাবার হয় না’। তারপর আমি ওঁকে বলি যে মাসে আমি পারব আমি চালাবো। সে মাসে তুই চালাতে পারবি সেই মাসে তুই চালাবি’।’


কটাক্ষকে তোয়াক্কা না করেই আজ দাম্পত্য জীবনের ১২ টা বছর পাড় করে ফেলেছেন সোহিনী-সপ্তর্ষি।


No comments:

Post a Comment

Post Top Ad