প্রেসকার্ড নিউজ বিনোদন ডেস্ক, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০:০০:০১ : ডিমকে প্রোটিনের পাশাপাশি জরুরি পুষ্টির অন্যতম সেরা উৎস হিসেবে ধরা হয়। অনেকেই সকালের নাশতায় ডিম খেতে পছন্দ করেন। তবে অন্যান্য খাবারের মতো ডিম কেনার সময়ও কিছু বিষয় খেয়াল রাখা জরুরি, যেমন ভেজাল, কৃত্রিম রং বা ব্যাকটেরিয়ার ঝুঁকি। কারণ ডিমে খুব দ্রুত জীবাণু ছড়াতে পারে। তাই ভালো ও তাজা ডিম বাছাই করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
অনেকেরই প্রশ্ন থাকে ডিমের কুসুম কখনো হলুদ, আবার কখনো কমলা রঙের হয় কেন?
কুসুমের রং আলাদা হয় কেন?
ডিমের কুসুমের রং মূলত নির্ভর করে মুরগির খাদ্যের ওপর।
যেসব মুরগিকে খাঁচায় রেখে গম, ভুট্টা বা সয়াবিন খাওয়ানো হয়, তাদের ডিমের কুসুম সাধারণত হালকা হলুদ হয়।
অন্যদিকে, যেসব মুরগি খোলা পরিবেশে ঘোরে এবং ঘাস, পোকামাকড় ও প্রাকৃতিক খাদ্য খায়, তাদের ডিমের কুসুম গাঢ় কমলা রঙের হয়।
এই ধরনের ডিমে সাধারণ ডিমের তুলনায় বেশি পুষ্টি থাকে—বিশেষ করে ওমেগা-৩ এবং ভিটামিন ই-এর পরিমাণ বেশি। তাই পুষ্টিগুণ বেশি পেতে গাঢ় কমলা কুসুমযুক্ত ডিম বেছে নেওয়া ভালো।
ডিম কেনার সময় কী কী দেখবেন
সম্ভব হলে “প্যাস্টার রেইজড” বা “ফ্রি রেঞ্জ” লেখা ডিম কিনুন—এগুলো বেশি পুষ্টিকর।
“কেজ ফ্রি” লেখা থাকলে বুঝবেন মুরগিগুলো খাঁচায় বন্দি নয় এবং প্রাকৃতিকভাবে বড় হয়েছে।
ডিমে কোনো ফাটল আছে কিনা ভালো করে দেখে নিন। ফাটা ডিমে দ্রুত জীবাণু ঢুকে পড়ে।
ডিম তাজা কিনা পরীক্ষা করুন—টর্চের আলো ফেললে ভালো ডিমে কুসুম পরিষ্কার দেখা যায়।
প্যাকেট ও সংরক্ষণ পদ্ধতি খেয়াল করুন। যদি ডিম ফ্রিজ ছাড়া রাখা হয় বা খোসা নোংরা থাকে, তাহলে তা দ্রুত নষ্ট হতে পারে।

No comments:
Post a Comment