দক্ষিণ ২৪ পরগনা, ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬: অষ্টম শ্রেণীর এক ছাত্রীকে একাধিকবার ধর্ষণ। অভিযোগ প্রতিবেশী এক গৃহশিক্ষকের বিরুদ্ধে। ঘটনা দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার ক্যানিং থানা এলাকার। ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।ঘটনার বিষয়ে নাবালিকার পরিবারের লোকজন শনিবার রাতেই ক্যানিং থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। রাতেই নাবালিকার শারীরিক পরীক্ষার জন্য ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ক্যানিংয়ের একটি উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণীর ওই ছাত্রী বাড়ির অদূরে গৃহশিক্ষক তরুণ মণ্ডলের কাছে টিউশন পড়তো। অভিযোগ, গত প্রায় পাঁচ মাস আগে ওই ছাত্রী সন্ধ্যার সময় টিউশন পড়তে গিয়েছিল। সেই সময় ওই ছাত্রীকে ফুঁসলিয়ে স্থানীয় একটি মাঠের মধ্যে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে। একই ভাবে আরও একবার ওই নাবালিকাকে রাতের অন্ধকারে মাঠে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করা হয়। এমন কুকর্মের কথা যাতে কেউ না জানতে পারে তার জন্য ওই ছাত্রীকে হুমকিও দেয় গৃহশিক্ষক।
এরপর থেকে ওই ছাত্রী টিউশন পড়তে যাওয়া প্রায় বন্ধ করে দিয়েছিল। এরপর শনিবার সন্ধ্যায় পড়তে গিয়েছিল। সেই সময় ওই গৃহশিক্ষক আবারও ওই ছাত্রীকে রাতের অন্ধকারে ফাঁকা মাঠে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে। ঘটনার কথা জানতে পারেন এলাকার লোকজন। তারা ছাত্রী ও গৃহশিক্ষককে অসংলগ্ন অবস্থায় ধরে ফেলেন। খবর দেওয়া হয় পরিবারের সদস্যদের। কিন্তু পালিয়ে যেতে সক্ষম হয় অভিযুক্ত।
খবর পেয়ে ওই নাবালিকাকে তার বাড়ির লোকজন উদ্ধার করেন। রাতেই তাঁরা ক্যানিং থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন গৃহশিক্ষকের বিরুদ্ধে। পুলিশ ওই নাবালিকার শারীরিক পরীক্ষার জন্য ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যায়। পাশাপাশি অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। নির্যাতিতা নাবালিকা ও তার কাকার দাবী, একজন গৃহশিক্ষক হয়ে যে ভাবে অমানষিক অত্যাচার করেছে, তাতে করে তার যেন ফাঁসি হয়। কিন্তু গৃহ শিক্ষক সবার অলক্ষে পালিয়ে গেল কি করে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

No comments:
Post a Comment