প্রেসকার্ড নিউজ বিনোদন ডেস্ক, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৯:০০:০১ : বাস্তুশাস্ত্র ও জ্যোতিষ মতে জুতো-চপ্পল শুধু পা রক্ষার জিনিস নয়, বরং এগুলো বাড়ির শক্তি, অর্থনৈতিক অবস্থা এবং পারিবারিক শান্তির সঙ্গেও জড়িত বলে মনে করা হয়। কিছু নিয়ম না মানলে নেগেটিভ এনার্জি বাড়তে পারে, মানসিক অশান্তি ও অর্থনৈতিক সমস্যাও দেখা দিতে পারে। তাই এই বিষয়গুলো একটু সচেতনভাবে মানা ভালো।
কোন দিন জুতো-চপ্পল কেনা এড়ানো উচিত
অনেকের বিশ্বাস অনুযায়ী অমাবস্যা, মঙ্গলবার, শনিবার এবং গ্রহণের দিন জুতো-চপ্পল কেনা ঠিক নয়। এই সময়গুলোকে কিছুটা সংবেদনশীল বা অশুভ ধরা হয়। তাই নতুন জুতো কেনার জন্য অন্য দিন বেছে নেওয়াই ভালো বলে মনে করা হয়।
কোথায় জুতো পরে যাওয়া উচিত নয়
কিছু জায়গায় জুতো পরে যাওয়া অসম্মানজনক বা অশুভ বলে ধরা হয়—
মন্দির বা ধর্মীয় স্থানে
রান্নাঘর বা ভাণ্ডারঘরে
নদী, পুকুর বা তীর্থস্থানে
বাড়ির লকার বা যেখানে টাকা রাখা হয়
এতে বাড়ির ইতিবাচক পরিবেশ নষ্ট হতে পারে বলে বিশ্বাস করা হয়।
জুতো-চপ্পল নিয়ে কিছু লক্ষণ
বারবার জুতো ছিঁড়ে যাওয়া বা নষ্ট হওয়া মানসিক চাপ বা অশান্তির ইঙ্গিত হিসেবে ধরা হয়
বাড়িতে এলোমেলোভাবে জুতো রাখা হলে তা নেগেটিভ এনার্জি বাড়ায় বলে মনে করা হয়
জুতো রাখার নিয়ম
সবসময় নির্দিষ্ট জায়গায় বা শু-র্যাকে জুতো রাখুন
বাড়ির প্রবেশদ্বারের ভেতরে বা পূজার জায়গার কাছে জুতো রাখবেন না
জুতো উল্টো করে রাখা এড়িয়ে চলুন
নতুন জুতো আনার পর পরিষ্কার করে নেওয়া ভালো
বাড়ি পরিষ্কার রাখার মতোই জুতো রাখার জায়গাও পরিষ্কার রাখা জরুরি
জুতো-চপ্পল সম্পর্কিত এই নিয়মগুলো অনেকটা বিশ্বাস ও প্রথার উপর ভিত্তি করে তৈরি। এগুলো মানলে বাড়িতে শৃঙ্খলা, পরিচ্ছন্নতা এবং মানসিক শান্তি বজায় রাখতে সাহায্য করে। ছোট বিষয় মনে হলেও, এই অভ্যাসগুলো দৈনন্দিন জীবনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

No comments:
Post a Comment