প্রেসকার্ড নিউজ ন্যাশনাল ডেস্ক, ০১ মার্চ ২০২৬, ১০:১০:০১ : মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা ক্রমশ তীব্র আকার নিচ্ছে। শনিবার ইজরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র যৌথভাবে ইরান-এর রাজধানী তেহরান-সহ দেশের একাধিক স্থানে হামলা চালায়। এর পরপরই ইরান পাল্টা আক্রমণ শুরু করে। দুই পক্ষের মধ্যে টানা হামলার জেরে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।
এই সংঘর্ষের প্রভাব এখন বিশ্বজুড়ে পড়তে শুরু করেছে। শনিবার থেকে রবিবার সকাল পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে হাজার হাজার উড়ান বাতিল হয়েছে। ইরান এবং মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের আকাশপথ বন্ধ থাকায় ভারতের শতাধিক ফ্লাইটও বাতিল হয়েছে।
ভারতের নাগরিক বিমান চলাচল মন্ত্রণালয় এবং ডিজিসিএ (DGCA) পরিস্থিতির ওপর কড়া নজর রাখছে। যাত্রীদের বিমানবন্দরে যাওয়ার আগে নিজেদের ফ্লাইটের অবস্থা যাচাই করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। দেশের বড় বড় বিমানবন্দরগুলিকে হাই অ্যালার্টে রাখা হয়েছে এবং যাত্রীদের সহায়তায় সব বিভাগ একসঙ্গে কাজ করছে।
মন্ত্রণালয়ের তরফে জানানো হয়েছে, ইরান ও মধ্যপ্রাচ্যের কিছু অঞ্চলে আকাশসীমা বন্ধ থাকায় বিপুল সংখ্যক উড়ান ব্যাহত হয়েছে। ডিজিসিএ-র তথ্য অনুযায়ী, শুধুমাত্র ২৮ ফেব্রুয়ারি দিনেই ৪১০টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। আর ১ মার্চেও প্রায় ৪৪৪টি ফ্লাইট বাতিল হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
ডিজিসিএ আরও জানিয়েছে, তারা সমস্ত এয়ারলাইন্সের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে যাতে নিরাপত্তা ও পরিচালনার সমস্ত বিধি মেনে চলা যায়। যাত্রীদের বারবার বলা হচ্ছে, বিমানবন্দরে যাওয়ার আগে অবশ্যই সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইন্সের সঙ্গে যোগাযোগ করে ফ্লাইটের আপডেট জেনে নিতে।
এছাড়াও বড় বিমানবন্দরগুলোতে বিকল্প অবতরণ, যাত্রী পরিষেবা এবং ভিড় নিয়ন্ত্রণের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। যাত্রীদের সাহায্য, এয়ারলাইন্সের সঙ্গে সমন্বয় এবং টার্মিনাল ব্যবস্থাপনার জন্য সিনিয়র আধিকারিকরা সরাসরি নজরদারি করছেন।
২৮ ফেব্রুয়ারি, হামলার দিন, এয়ারসেবা পোর্টালে মোট ২১৬টি অভিযোগ জমা পড়ে, যার মধ্যে ১০৫টির বেশি অভিযোগ ইতিমধ্যেই সমাধান করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সমস্ত বিভাগ একযোগে কাজ করছে, যাতে প্রভাবিত যাত্রীরা দ্রুত সহায়তা পান এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।
.jpg)
No comments:
Post a Comment