প্রেসকার্ড নিউজ ওয়ার্ল্ড ডেস্ক, ০১ মার্চ ২০২৬, ১৪:০৪:০১ : ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃত্যু নিয়ে বড় খবর সামনে এসেছে। ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েল-এর যৌথ বিমান হামলায় তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে দাবী করা হয়েছে। ১ মার্চ ইরানের সরকারি মাধ্যম এই খবর নিশ্চিত করেছে। এর আগেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর মৃত্যুর ঘোষণা দেন এবং বলেন, এর ফলে ইরানের জনগণ নিজেদের দেশ পুনরুদ্ধারের সুযোগ পেতে পারে।
আলি হুসেইনি খামেনেই ১৯ এপ্রিল ১৯৩৯ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি একজন প্রভাবশালী ধর্মীয় নেতা ও রাজনীতিবিদ ছিলেন। ১৯৮৯ সালে তিনি ইরানের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব নেন এবং ২০২৬ সালে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত এই পদে ছিলেন। এর আগে ১৯৮১ থেকে ১৯৮৯ পর্যন্ত তিনি ইরানের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। দীর্ঘ ৩৬ বছর ধরে তিনি দেশের নেতৃত্ব দেন। তাঁর শাসনকাল ইরানের ইতিহাসে অন্যতম দীর্ঘ, যা মোহাম্মদ রেজা পাহলভি-র পর সবচেয়ে বেশি সময়ের শাসন হিসেবে বিবেচিত।
খামেনির স্ত্রীর নাম মানসুরা খোজাস্তেহ বাঘেরজাদেহ। তিনি সাধারণত জনসমক্ষে খুব কমই দেখা দিতেন। তাঁর বাবা মোহাম্মদ ইসমাইল খোজাস্তেহ বাঘেরজাদেহ মাশহাদের একজন পরিচিত ব্যবসায়ী ছিলেন। তাঁর ভাই হাসান ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার সংস্থা Islamic Republic of Iran Broadcasting-এর ডেপুটি ডিরেক্টর হিসেবে কাজ করেছেন।
সন্তানরা
খামেনেই ও তাঁর স্ত্রীর মোট ৬ সন্তান রয়েছে—৪ ছেলে ও ২ মেয়ে।
ছেলেদের নাম: মোস্তাফা, মুজতবা, মাসউদ ও মেইসাম
মেয়েদের নাম: বোশরা ও হোদা
সবচেয়ে বড় ছেলে মোস্তাফা একজন ধর্মীয় নেতা এবং তিনি ইরান-ইরাক যুদ্ধ-এ অংশ নিয়েছিলেন। মাসউদ কোনও সরকারি বা বেসরকারি গুরুত্বপূর্ণ পদে নেই। খামেনেই পরিবারের বহু নাতি-নাতনি রয়েছে, যদিও প্রকাশ্যে খুব কম তথ্য জানা যায়।
খামেনির তিন ভাই ছিলেন—মোহাম্মদ ও হাদি খামেনি তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য। তাঁর চার বোনের মধ্যে বদরি খামেনেই ১৯৮০-র দশকে ইরান ছেড়ে বিদেশে চলে যান। বিভিন্ন প্রতিবেদন অনুযায়ী, তাঁর পরিবারের কিছু সদস্য বিদেশে, বিশেষ করে প্যারিসে বসবাস করেন।

No comments:
Post a Comment