এলপিজি-পিএনজি ও সার নিয়ে চিন্তা! পশ্চিম এশিয়া সংকটে সিসিএস বৈঠকে মোদী - Press Card News

Breaking

Post Top Ad

Post Top Ad

Wednesday, April 1, 2026

এলপিজি-পিএনজি ও সার নিয়ে চিন্তা! পশ্চিম এশিয়া সংকটে সিসিএস বৈঠকে মোদী



প্রেসকার্ড নিউজ ন্যাশনাল ডেস্ক, ০১ এপ্রিল ২০২৬, ২৩:২০:০১ : পশ্চিম এশিয়ার সংকট নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে নিরাপত্তা বিষয়ক মন্ত্রিসভার কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়, যা প্রায় আড়াই ঘণ্টা ধরে চলে। এই বৈঠকে উদীয়মান চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য কৃষি, সার, নৌপরিবহন, বিমান চলাচল, সরবরাহ ব্যবস্থা এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে প্রয়োজনীয় হস্তক্ষেপ নিয়ে আলোচনা করা হয়। রান্নার গ্যাস ও প্রাকৃতিক গ্যাসের জন্য সরবরাহের উৎস বৈচিত্র্যকরণ, জ্বালানির শুল্ক কমানো এবং প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে বিদ্যুৎ খাতের বিভিন্ন পদক্ষেপ পর্যালোচনা করা হয়।



বৈঠকে জানানো হয়, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং মজুতদারি ও কালোবাজারির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির সঙ্গে নিয়মিত নজরদারি ও সমন্বয়ের জন্য নিয়ন্ত্রণ কক্ষ গঠন করা হয়েছে। সার সরবরাহ নিশ্চিত করতে ইউরিয়া উৎপাদন বজায় রাখা এবং ডিএপি ও এনপিকেএসের জন্য বিদেশি সরবরাহকারীদের সঙ্গে সমন্বয় জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা হয়।



প্রধানমন্ত্রী সাধারণ মানুষের প্রয়োজনীয় সামগ্রীর প্রাপ্যতা পর্যালোচনা করেন। তিনি খরিফ ও রবি মৌসুমে সারের পর্যাপ্ততা নিশ্চিত করতে নেওয়া পদক্ষেপগুলি নিয়ে আলোচনা করেন এবং নাগরিকদের সুরক্ষার জন্য সব ধরনের চেষ্টা করার নির্দেশ দেন। গুজব রোধ করতে সঠিক তথ্য দ্রুত ও সহজভাবে মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার উপরও জোর দেওয়া হয়।



বৈঠকে জানানো হয়, পর্যাপ্ত কয়লার মজুত রয়েছে, যা আগামী মাসগুলিতে বিদ্যুতের চাহিদা মেটাতে সক্ষম হবে। এই বৈঠকে প্রতিরক্ষা, স্বরাষ্ট্র, অর্থ, পররাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দপ্তরের মন্ত্রীরা উপস্থিত ছিলেন। পাশাপাশি ২২ মার্চ অনুষ্ঠিত আগের বৈঠকে নেওয়া সিদ্ধান্তগুলির অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়।



আগের বৈঠকে সংঘাতজনিত পরিস্থিতির সামগ্রিক প্রভাব পর্যালোচনা করা হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে এই পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য মন্ত্রী ও সচিবদের একটি বিশেষ দল গঠন করা হয়। তিনি বলেছিলেন, এই সংঘাতের প্রভাব বিশ্বজুড়ে পড়ছে, তাই সাধারণ মানুষকে সুরক্ষিত রাখতে সব সংস্থাকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।



সেই বৈঠকে কৃষি, সার, খাদ্য নিরাপত্তা, জ্বালানি, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প, রপ্তানি, নৌপরিবহন, বাণিজ্য, অর্থনীতি ও সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর সম্ভাব্য প্রভাব এবং তা মোকাবিলার উপায় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছিল। কৃষকদের ওপর প্রভাব এবং খরিফ মৌসুমে সারের চাহিদাও পর্যালোচনা করা হয়েছিল। পাশাপাশি বিকল্প সারের উৎস, অপরিশোধিত তেল, গ্যাস, বিদ্যুৎ এবং সংশ্লিষ্ট খাতগুলির পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা হয়।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad