কেন্দ্রীয় বাহিনীর টহল, সাধারণের সঙ্গে কথা আইসি-সহ জওয়ানদের - Press Card News

Breaking

Post Top Ad

Post Top Ad

Tuesday, April 14, 2026

কেন্দ্রীয় বাহিনীর টহল, সাধারণের সঙ্গে কথা আইসি-সহ জওয়ানদের


বীরভূম: রাজ্যে ভোট উৎসব। সুষ্ঠু নির্বাচনের লক্ষ্যে একগুচ্ছ কড়া পদক্ষেপ করেছে কমিশন। রাজ্যে ইতিমধ্যেই পা রেখেছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। জেলায় জেলায় চলছে বাহিনীর রুটমার্চ। বিধানসভা নির্বাচনের আগে নিরাপত্তা জোরদার করতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর রুট মার্চ বীরভূমের নানুর এলাকায়। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও কড়া করা হচ্ছে। সেই প্রেক্ষিতেই নানুরের পাপুড়ি, বন্দর খালা সহ একাধিক গ্রামে রুট মার্চ করল কেন্দ্রীয় বাহিনী। এলাকাজুড়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তার বার্তা পৌঁছে দিতেই এই উদ্যোগ বলে জানা গেছে।


সোমবার সন্ধ্যায় এই রুট মার্চে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন নানুর থানার আইসি নিতু সিং এবং থানার অন্যান্য পুলিশ কর্মীরা। গ্রামগুলির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকা ঘুরে দেখেন তাঁরা এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথাও বলেন।


প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে এই ধরণের রুটমার্চ আগামী দিনেও চলবে। অন্যদিকে, কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিতিতে এলাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে কিছুটা হলেও ভরসা ফিরেছে বলে মনে করছেন। 


একুশের নির্বাচনে রাজ্যে আট দফায় ভোট হয়েছিল। এবারে ভোট হবে দু'দফায়; ২৩ ও ২৯ শে এপ্রিল। ভোট গণনা হবে ৪ঠা মে। দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার শুরুতেই জানিয়ে দিয়েছিলেন অবাধ, শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে সব রকম পদক্ষেপ করা হবে। প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রের জন্য একজন করে সাধারণ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করেছে কমিশন। এর পাশাপাশি কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যাও বৃদ্ধি পাচ্ছে। 


রাজ্যে ভোটের জন্য প্রথমে ৪৮০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়ন করা হয়েছিল গত ১৯শে মার্চ বিবৃতি জারি করে অতিরিক্ত আরও ১৯২০ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েনের কথা কেন্দ্র জানায়। বলা হয়েছিল, ১৭ এপ্রিলের মধ্যে বাহিনী মোতায়েন করার কথা। ভোট ঘোষণার আগেই রাজ্যে চলে এসেছেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। তাঁরা টহলও দিচ্ছেন পাড়ায়-পাড়ায়। এরই মধ্যে বুধবার আরও ১৫০ কোম্পানি অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়নের কথা জানানো হয় এবং প্রয়োজনে এই সংখ্যা বাড়তে পারে। কেন্দ্র জানিয়েছে, ১৮ এপ্রিলের মধ্যে রাজ্যে এসে কাজ শুরু করে দিতে হবে বাহিনীকে। কমিশন সূত্রে খবর, রাজ্যে সুষ্ঠু, অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad