বিপাকে কিউবা! নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপ যুক্তরাষ্ট্রের, জ্বালানি সঙ্কটের তীব্র আশঙ্কা - Press Card News

Breaking

Post Top Ad

Post Top Ad

Friday, September 4, 2026

বিপাকে কিউবা! নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপ যুক্তরাষ্ট্রের, জ্বালানি সঙ্কটের তীব্র আশঙ্কা


ওয়ার্ল্ড ডেস্ক, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬: কিউবার ওপর নতুন আঘাত হেনেছে যুক্তরাষ্ট্র। আগে থেকেই ধুঁকতে থাকা কিউবার অর্থনীতির ওপর আরও চাপ সৃষ্টির প্রচেষ্টায় যুক্তরাষ্ট্র বৃহস্পতিবার নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। নিষেধাজ্ঞার আওতায় আসা ব্যক্তি ও সংস্থাগুলোর মধ্যে রয়েছেন কিউবার প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি রাউল কাস্ত্রোর পৌত্র ফিদেল আর্নেস্তো কাস্ত্রো এবং কিউবার তেল শিল্পের সরঞ্জাম আমদানিকারক সংস্থা এবাপেট (এবিএপিইটি)।


এই সংস্থাটি কিউবার ভেঙে পড়া বিদ্যুৎ ব্যবস্থা সচল রাখার জন্য প্রয়োজনীয় বিশেষায়িত সরঞ্জাম ও যন্ত্রাংশ আমদানি করে। নিষেধাজ্ঞা বিশেষজ্ঞ এবং অবসিডিয়ান রিস্ক অ্যাডভাইজারস-এর ব্যবস্থাপনা অংশীদার ব্রেট এরিকসন বলেছেন যে, এই নিষেধাজ্ঞাগুলোর উদ্দেশ্য হল কিউবার অত্যাবশ্যকীয় যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জামের কার্যকারিতা ব্যাহত করা এবং এর জ্বালানি সংকটকে আরও বাড়িয়ে তোলা।


ব্রেট এরিকসন আরও বলেন, "কিউবার ওপর যথাসম্ভব চাপ বাড়ানোর চেষ্টা করছে যুক্তরাষ্ট্র।" তিনি বলেছেন যে, কিউবায় শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন ছাড়া অন্য কোনও চাপ গ্রহণে মার্কিন প্রশাসন আন্তরিক বলে মনে হচ্ছে না এবং মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও কিউবাকে ছাড়বেন না।


এরিকসন ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন যে, কিউবা সরকার নিষেধাজ্ঞা এড়ানোর উপায় খুঁজবে, "কারণ তাদের কাছে অন্য কোনও বিকল্প নেই।" তিনি আরও বলেন যে, রক্ষণাবেক্ষণের জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সংগ্রহের নতুন উপায় তারা খুঁজবে। এরিকসন এও সতর্ক করেছেন যে, এটি একটি আরও ব্যয়বহুল বিকল্প হবে, যা মুদ্রাস্ফীতি বাড়াবে এবং কিউবার অর্থনীতির আরও ক্ষতি করবে।


এদিকে, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এক্স-এ লিখেছেন, "নিষেধাজ্ঞাপ্রাপ্ত ব্যক্তি ও সংস্থাগুলো কাস্ত্রোর দুর্নীতিগ্রস্ত আর্থিক ও গোয়েন্দা নেটওয়ার্কের অংশ।" রুবিও আরও লিখেছেন, "কিউবা স্বাধীন হবে, এই ব্যাপারে ট্রাম্প ও আমি আমাদের সংকল্পে অটল।"


কিউবার বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে, উপ-প্রধানমন্ত্রী এবং বৈদেশিক বিনিয়োগ মন্ত্রী অস্কার পেরেজ-অলিভা ফ্রাগা মার্কিন সরকারকে দোষারোপ করেন। এদিকে, মেক্সিকোতে নিযুক্ত কিউবার রাষ্ট্রদূত ইউজেনিয়ো মার্টিনেজ এনরিকেজ এই নিষেধাজ্ঞার নিন্দা করেছেন। এর আগে মে মাসে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন যে, কিউবা একটি ব্যর্থ রাষ্ট্র, তাদের কোনও তেল নেই এবং আমরা লোকেদের সাহায্য করতে সেখানে আছি।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad