ন্যাশনাল ডেস্ক, ১৭ অক্টোবর ২০২৬: ভয়াবহ দুর্ঘটনা শনির সকালে। নর্দমায় যাত্রীবাহী বাস উল্টে পড়ে সাত পুণ্যার্থীর মৃত্যু। এছাড়াও আহত হয়েছেন ১০ জন। রাজস্থানের কোটায় দিল্লি-মুম্বাই এক্সপ্রেসওয়েতে ঘটেছে এই দুর্ঘটনাটি। ২৫ জনেরও বেশি যাত্রী নিয়ে মিনিবাসটি নর্দমায় পড়ে যায়। দুর্ঘটনাটি সিমালিয়া থানা এলাকায় ঘটেছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে খবর, যাত্রীবোঝাই মিনিবাসটি কারাদিয়ার কাছে একটি কালভার্ট থেকে পড়ে যায়। দুর্ঘটনার শিকার লোকেরা ভোপাল থেকে খাটু-শ্যাম জি'র দর্শন করতে যাচ্ছিলেন।
সিমালিয়া থানার এসএইচও নন্দ সিং জানিয়েছেন যে, মিনিবাসটি কারাদিয়া টোল প্লাজা পার হয়ে সুলতানপুরের দিকে যাচ্ছিল, তখন দ্রুতগামী মিনিবাসটির চালক তন্দ্রাচ্ছন্ন হয়ে পড়েন। যাতে করে বাসটি দ্রুত গতির কারণে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে। এর ফলে বাসটি মজবুত রোড ডিভাইডার ভেঙে কালভার্টের প্রায় ২০ ফুট নিচে সরাসরি নর্দমায় পড়ে যায়।
দুর্ঘটনায় বাসটির সামনের অংশ সম্পূর্ণ দুমড়ে-মুচড়ে যাওয়ায় ভেতরে থাকা যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়রা বেশ কয়েকজনকে উদ্ধার করে পুলিশকে খবর দেন। জানা গেছে, সাতজন মৃত এবং দশজন আহত হয়েছেন। আহতদের অ্যাম্বুলেন্সে করে কোটা মেডিকেল কলেজের নতুন হাসপাতাল এবং এমবিএস হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে, যেখানে তাঁরা চিকিৎসাধীন আছেন।
দুর্ঘটনাটি সকাল ৭টার দিকে ঘটে বলে জানা গেছে। দুর্ঘটনার সময় বিকট শব্দ শুনে আশেপাশের গ্রামের লোকজন ও পথচারীরা সাহায্যের জন্য ছুটে আসেন। সিমালিয়া থানা, এনএইচএআই উদ্ধারকারী দল এবং ১০৮ অ্যাম্বুলেন্স ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করে। ট্র্যাভেলারটি একটি ২০ ফুট গভীর নর্দমায় আটকে গিয়েছিল, যার ফলে যাত্রীদের বের করে আনা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়ে।
পুলিশ ও উদ্ধারকারী দল যাত্রীদের একে একে নিরাপদে নর্দমা থেকে বের করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। জানা গেছে, দুর্ঘটনাস্থলেই চারজনের মৃত্যু হয় এবং গুরুতর আহত তিনজন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে মারা যান। আহতদের অনেকের অবস্থাই অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। প্রাথমিক চিকিৎসার পর সকল আহতকে কোটা মেডিকেল কলেজের নতুন হাসপাতাল এবং এমবিএস হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে, যেখানে তাদের চিকিৎসা চলছে। এই সকল যাত্রী ভোপাল থেকে খাটুশ্যাম জি-র দর্শন করতে যাচ্ছিলেন, তখনই কোটায় এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।

No comments:
Post a Comment