যাদবপুরের সহ-উপাচার্যের রহস্য মৃত্যু! উদ্ধার ঝুলন্ত দেহ - press card news

Breaking

Post Top Ad

Post Top Ad

Wednesday, 20 July 2022

যাদবপুরের সহ-উপাচার্যের রহস্য মৃত্যু! উদ্ধার ঝুলন্ত দেহ



 যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য সামন্তক দাসের রহস্যজনক মৃত্যু আলোড়ন তুলেছে।  সামন্তক দাস তার মায়ের সঙ্গে রিজেন্ট পার্ক এলাকার রানীকুটিরের একটি ফ্ল্যাটে থাকতেন।  আজ,বুধবার বিকেল ৩টার দিকে নিজ বাড়িতে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পায় পরিবার।  পরিবারের লোকজন তাকে এমআর বাঙ্গুর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।  তার বয়স ছিল 57।  পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।  এদিকে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ে ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।  বৃহস্পতিবারের জন্য নির্ধারিত সকল পরীক্ষা ও সাক্ষাৎকার বাতিল করা হয়েছে।




 বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার অফিসে আসেননি সামন্তক দাস।  হঠাৎ খবর এল তিনি অসুস্থ।  এর কিছুক্ষণ পরই তার মৃত্যুর খবর তার কার্যালয়ে পৌঁছায়।




ঘটনার খবর পেয়ে বাঙ্গুর হাসপাতালে যান যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য সুরঞ্জন দাস।  সেখান থেকে তিনি জানান, বুধবার সামন্তক বাবুকে বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য একটি গাড়ি বাড়ি গিয়েছিল।  অনেকক্ষণ কোনও উত্তর না পেয়ে চালক ফিরে আসেন।  এরপর ঘরের দরজা ভেঙে উপাচার্যকে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়।  পুলিশ জানিয়েছে, মৃত্যুর সঠিক কারণ জানতে ময়নাতদন্ত করা হবে।  ঘনিষ্ঠ সূত্রের দাবী, সামন্তক দাস দীর্ঘদিন ধরে বিষণ্ণতার সঙ্গে লড়াই করছিলেন, তবে তিনি বিষয়টি কাউকে জানাননি।  কয়েক বছর আগে তিনি সহ-উপাচার্যের দায়িত্ব পান।


 

 তিনি যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগে ইংরেজিতে পড়াশোনা করেছেন।  এরপর তিনি দীর্ঘকাল বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি সাহিত্য বিভাগে অধ্যাপনা করেন।  2005 সালে, তিনি যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের তুলনামূলক সাহিত্য বিভাগে যোগদান করেন।  তিনি 2007 থেকে 2009 পর্যন্ত বিভাগীয় প্রধান ছিলেন।  বিশ্ববিদ্যালয়ের 'রবীন্দ্রচর্চা কেন্দ্র' এবং 'স্কুল অফ কালচারাল টেক্সটস অ্যান্ড রেকর্ডস'-এর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।  সামন্তক দাস গত কয়েক বছর ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ উপাচার্যের দায়িত্ব পালন করছিলেন।  বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ছাত্রদের মধ্যে তিনি বেশ জনপ্রিয় ছিলেন।  তার মৃত্যুতে শিক্ষার্থীরা শোকাহত।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad