মুখ্যমন্ত্রী মমতাকে পদ্মা সেতু পরিদর্শনের আমন্ত্রণ শেখ হাসিনার - press card news

Breaking

Post Top Ad

Post Top Ad

Wednesday, 20 July 2022

মুখ্যমন্ত্রী মমতাকে পদ্মা সেতু পরিদর্শনের আমন্ত্রণ শেখ হাসিনার



 মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জিকে নবনির্মিত পদ্মা সেতু পরিদর্শনের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।  মুখ্যমন্ত্রীকে লেখা চিঠিতে তিনি বিশেষভাবে জোর দিয়েছিলেন যে নবনির্মিত পদ্মা সেতু পশ্চিমবঙ্গসহ বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখবে।  মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে লেখা চিঠিতে শেখ হাসিনা বলেন, "এই সেতুটি বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গ, বা বরং সমগ্র ভারতের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার করবে এবং দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের নতুন পথ খুলে দেবে বলে আশা করা হচ্ছে।"



 বিবৃতিতে শেখ হাসিনা বলেন, "পশ্চিমবঙ্গের মানুষের সঙ্গে বাংলাদেশের জনগণের আবেগপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে।"  তিনি বলেন, “আমি আপনাদের সুবিধামত বাংলাদেশে আসার আমন্ত্রণ জানাচ্ছি।  আমি এই বছরের সেপ্টেম্বরে নয়াদিল্লীতে আমার নির্ধারিত সফরের সময় আপনার সাথে দেখা করার জন্য উন্মুখ।  ভাষা, সংস্কৃতি এবং আদর্শগত মিল দুই বাংলার মধ্যে বন্ধন শক্তি।"



২৫ জুন পদ্মা সেতু উদ্বোধন করেন শেখ হাসিনা।  উদ্বোধনের আগে এক সংক্ষিপ্ত বক্তৃতায় তিনি বলেন, " কারও প্রতি আমার কোনও ক্ষোভ নেই, তবে পদ্মা সেতু নির্মাণ পরিকল্পনার বিরোধিতাকারী এবং এটিকে 'পাইপ ড্রিম' বলে আখ্যায়িতকারীদের মধ্যে আস্থার অভাব রয়েছে বলে আমি মনে করি।" তিনি বলেন, "এই প্রকল্প বাংলাদেশের গর্ব, সম্মান ও সামর্থ্যের প্রতীক।"  পদ্মা সেতু বাংলাদেশের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গ এবং সমগ্র ভারতের বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করবে বলে আশা করেন হাসিনা।  পদ্মা সেতু বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।  সম্পূর্ণ স্ব-অর্থায়নে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সেতুটি নির্মাণ করা হয়েছে।


 

 ৬ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সেতুটি তৈরি করতে মোট ১১ বছর সময় লেগেছে।  দোতলা সেতুর একটি সড়ক ও অন্যটি রেলপথে ব্যবহার করা হবে।  তবে এখনও রেল চলাচল শুরু হয়নি।  পদ্মা সেতু নির্মাণের ফলে কলকাতা থেকে সড়কপথে ঢাকায় পৌঁছাতে সময় অনেক কম হবে।  পদ্মা সেতু ব্যবহার করে মাত্র ৮ ঘণ্টায় কলকাতা থেকে ঢাকা যাওয়া যায়।  বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও চিঠিতে লিখেছেন, চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে তার দিল্লী সফরের কথা রয়েছে।  সে সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করবেন বলেও আশা করছেন শেখ হাসিনা।  মমতাকে পাঠানো চিঠিতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী দুই বাংলার মধ্যে সততা ও সম্প্রীতির কথাও উল্লেখ করেছেন।  শেখ হাসিনা মমতার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন।


No comments:

Post a Comment

Post Top Ad