শিশুদের শারীরিক বিকাশের জন্য প্রোটিন অপরিহার্য কেন? - press card news

Breaking

Post Top Ad

Post Top Ad

Monday, 7 November 2022

শিশুদের শারীরিক বিকাশের জন্য প্রোটিন অপরিহার্য কেন?


শিশুদের সঠিক বৃদ্ধি ও স্বাস্থ্যের জন্য সুষম খাদ্য গ্রহণ করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।  সুষম খাবারের অভাবে শিশুদের শারীরিক দূর্বলতা তো আছেই, এ ছাড়াও নানা সমস্যা দেখা দেয়।  অভিভাবকদের অবশ্যই মনে রাখতে হবে তাদের বাচ্চাদের খাবারে যেন সঠিক পরিমাণে পুষ্টি থাকে।  বাবা-মায়েরা প্রায়ই তাদের সন্তানদের স্বাস্থ্য নিয়ে চিন্তিত থাকেন।  কিন্তু অনেক সময় তারা বুঝতে পারেন না কোন জিনিসগুলো শিশুর খাদ্যতালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।  তাই শিশুদের খাদ্যতালিকায় সব সময় পুষ্টির প্রতি খেয়াল রাখতে হবে।  সুষম পরিমাণে কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন, ভিটামিন এবং খনিজ থাকা তাদের সুস্বাস্থ্য এবং ভালো বৃদ্ধির জন্য অপরিহার্য।  খাবারে প্রোটিন সঠিক পরিমাণে থাকায় তাদের শরীর ও মনের দ্রুত বিকাশ ঘটে।  বাচ্চাদের জন্য প্রোটিন ডায়েট বাচ্চাদের ভাল বৃদ্ধির জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ, তাই খাবারে প্রোটিন অন্তর্ভুক্ত করার জন্য আপনাকে অবশ্যই এই বিষয়গুলি মনে রাখতে হবে।


 বাচ্চাদের খাবারে প্রোটিনের গুরুত্ব


 শিশুদের খাদ্য তালিকায় অবশ্যই প্রোটিন অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।  প্রোটিন শুধুমাত্র শারীরিক শক্তির জন্যই নয়, তাদের সঠিক বিকাশের জন্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।  একটি শিশুর শরীরের চুল, হাড়, নখ এবং পেশী তৈরির জন্য প্রোটিন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।  উচ্চ প্রোটিন জাতীয় খাবার অবশ্যই শিশুদের খাদ্যতালিকায় অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।  শিশুদের খাবারে প্রোটিনের সঠিক পরিমাণের যত্ন নিতে হলে অবশ্যই এই বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করুন।


 

 1. মসুর ডাল


 মসুর ডালে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে প্রোটিন পাওয়া যায়।  আপনি সকালে এবং রাতেও এটি আপনার ডায়েটে অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন।  এতে প্রোটিন ছাড়াও ফাইবার, ফোলেট, ম্যাগনেসিয়াম, পটাশিয়াম, আয়রন ও কপার পাওয়া যায়।  এটি হৃদরোগ এবং ফ্যাটি লিভার রোগের মতো সমস্যাগুলি কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করে।  নিরামিষাশীদের জন্য এটি প্রোটিনের সবচেয়ে ভালো উৎস।  মসুর ডালে উপস্থিত প্রোটিন শিশুদের বিকাশের জন্য খুবই উপকারী।


 2. চিনাবাদাম


 শিশুদের খাদ্যতালিকায় চিনাবাদাম বা পিনাট বাটার খাওয়া খুবই উপকারী।  চিনাবাদাম ফাইবার, আয়রন, ভিটামিন বি৬ ইত্যাদি সমৃদ্ধ।  আপনি এটি বিভিন্ন উপায়ে শিশুদের খাদ্যতালিকায় অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন।


 3. শুকনো ফল


 শুকনো ফল খাওয়া শিশুদের জন্য খুবই উপকারী।  শুকনো ফল ফাইবার, স্বাস্থ্যকর চর্বি, পটাসিয়াম, ভিটামিন এ এবং ভিটামিন কে সমৃদ্ধ, তাই এর ব্যবহার খুবই উপকারী।  এতে উপস্থিত প্রোটিন শরীরের বিকাশের জন্য খুবই উপকারী।


 4. দুধ


 দুধ আপনার খাবার সম্পূর্ণ করে।  এতে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন পাওয়া যায়।  এছাড়াও, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস এবং রিবোফ্লাভিনের মতো উপাদান পাওয়া যায়, যা হাড়কে শক্তিশালী করে।  আপনি চাইলে লো ফ্যাট দুধ পান করতে পারেন।  এ ছাড়া খাওয়ার ২-৩ ঘণ্টা পর এবং ঘুমানোর ৩-৪ ঘণ্টা আগে দুধ পান করা উচিৎ যাতে বদহজম বা পেট ব্যথার কোনো সমস্যা না হয়।


 5. কুমড়োর বীজ


 কুমড়োর বীজও প্রোটিন সমৃদ্ধ।  এছাড়া এতে আয়রন, ফসফরাস, ম্যাগনেসিয়াম ও জিঙ্ক পাওয়া যায়, যার কারণে অনেক রোগ দূরে থাকে এবং ফাইবারের কারণে হজমের সমস্যা হয় না।  ওটমিল, দই ও সালাদ দিয়ে খেতে পারেন।  শিশুদের খাদ্যতালিকায় কুমড়ার বীজ অন্তর্ভুক্ত করার আগে অবশ্যই বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে হবে।


 

 আপনি যদি আপনার ডায়েটে উচ্চ প্রোটিনযুক্ত খাবার যোগ করতে চান তবে এর জন্য আপনি বাদাম, আখরোট, চিনাবাদামের মাখন, চিনাবাদাম, সূর্যমুখী বীজ, কম চর্বিযুক্ত দুগ্ধজাত খাবার, ডিম, তোফু, মাছ, গোটা শস্য, শস্যদানা, অনেক ডাল ইত্যাদি ব্যবহার করে দেখতে পারেন। যোগ করতে পারেন।  খাবারে প্রোটিনের যত্ন নিলে শিশুর সঠিক বিকাশ ঘটে এবং শরীর দুর্বল হওয়া থেকে বাঁচে।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad