ভারতের আইনে ভীত বাংলাদেশ
এই আইনের প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বাংলাদেশের বৃহত্তম সংখ্যালঘু সংগঠন, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ (BHBCUC) বলেছে যে এর ফলে বাংলাদেশে সংখ্যালঘু ও উপজাতি সম্প্রদায়ের অভিবাসন বৃদ্ধি পেতে পারে। পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক ডক্টর নিম চন্দ্র ভৌমিক, উষাতন তালুকদার, নির্মল রোজারিও এবং ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মনীন্দ্র কুমার নাথ এক যৌথ বিবৃতিতে বলেছেন যে বাংলাদেশ সরকারের উচিত ভারতের এই সিদ্ধান্তের পিছনের নীতি এবং এর দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা।
মোহাম্মদ ইউনূসের কাছে আবেদন
দেশের ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘুদের মধ্যে আস্থা পুনরুদ্ধারের জন্য অবিলম্বে এবং কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য কাউন্সিলের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে আবেদন করেছেন। কাউন্সিল আরও বলেছে যে নীতি নির্ধারণ থেকে শুরু করে দৈনন্দিন জীবন পর্যন্ত প্রতিটি ক্ষেত্রে এই সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্ব এবং অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। ইউনূসের কাছ থেকে দাবি
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে যে সংখ্যালঘু ও উপজাতিদের উপর নিপীড়ন, অবহেলা এবং অপমান বন্ধে শূন্য সহনশীলতা নীতি গ্রহণ করা উচিত। কাউন্সিল আরও সতর্ক করে বলেছে যে, যদি এই সম্প্রদায়গুলিকে উপেক্ষা করা হয়, তাহলে দেশে স্থায়ী গণতন্ত্র, উন্নয়ন এবং অগ্রগতি সম্ভব হবে না। কাউন্সিল ইউনূস সরকারের কাছ থেকে আশা প্রকাশ করেছে যে, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গণতন্ত্র এবং জাতীয় স্বার্থের কথা মাথায় রেখে সংখ্যালঘুদের প্রান্তিকীকরণের প্রক্রিয়া বন্ধে প্রয়োজনীয় এবং কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।
ভারতের নতুন অভিবাসন আইন কী?
ভারতের অভিবাসন ও বিদেশী আইন ২০২৫, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ পর্যন্ত ধর্মীয় নিপীড়নের কারণে ভারতে আশ্রয় নেওয়া সংখ্যালঘুদের অব্যাহতি দেয়।
BHBCUC কে?
বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ (BHBCUC) বাংলাদেশের বৃহত্তম সংখ্যালঘু সংগঠন, যা ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘুদের অধিকার রক্ষা করে।
BHBCUC-এর প্রধান দাবিগুলি কী কী?
BHBCUC-এর প্রধান দাবিগুলি হল দেশের প্রতিটি ক্ষেত্রে সংখ্যালঘুদের প্রতিনিধিত্ব দেওয়া, নিপীড়নের বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতার নীতি গ্রহণ করা এবং সরকারের কাছ থেকে আস্থা ফিরিয়ে আনার জন্য দৃঢ় পদক্ষেপ নেওয়া।

No comments:
Post a Comment