ট্রাম্প যদি না আসেন, মোদিও যাবেন না, তাহলে প্রধানমন্ত্রীর আমেরিকা না যাওয়ার অর্থ কী? - Press Card News

Breaking

Post Top Ad

Post Top Ad

Saturday, September 6, 2025

ট্রাম্প যদি না আসেন, মোদিও যাবেন না, তাহলে প্রধানমন্ত্রীর আমেরিকা না যাওয়ার অর্থ কী?


 এই মাসে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের (UNGA) সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যে বৈঠকের আশা এখন শেষ। প্রধানমন্ত্রী মোদী এবার জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দেবেন না। এখানে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করবেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। আসুন জেনে নেওয়া যাক প্রধানমন্ত্রী মোদীর আমেরিকা না যাওয়ার সিদ্ধান্ত কী ইঙ্গিত দেয় এবং এর সম্ভাব্য কূটনৈতিক প্রভাব কী হবে...


১. ভারতের আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সেপ্টেম্বরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সফর করবেন না। ভারত আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদকে (UNGA) জানিয়েছে যে এবার বিদেশমন্ত্রী ডঃ এস. জয়শঙ্কর ভারতের প্রতিনিধিত্ব করবেন। বিদেশমন্ত্রীর নাম এখন সংশোধিত বক্তাদের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।


২. জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ঐতিহ্য এবং প্রক্রিয়া

সাধারণত, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের বক্তাদের তালিকা প্রধানমন্ত্রী বা রাষ্ট্রপতির নামে প্রস্তুত করা হয়। তালিকাটি তখনই আপডেট করা হয় যখন সংশ্লিষ্ট দেশ আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত করে। ভারত আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত করে এই পরিবর্তন এনেছে।

৩. সম্ভাব্য কূটনৈতিক প্রভাব

প্রধানমন্ত্রী মোদী আমেরিকা না যাওয়ায়, মোদী-ট্রাম্প বৈঠকের সম্ভাবনা শেষ হয়ে গেছে। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সফরের সময় মার্কিন রাষ্ট্রপতির সাথে প্রায়শই বৈঠক হয়েছে, এবার এমন সুযোগ পাওয়া যাবে না। বিশেষজ্ঞরা এটিকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আমেরিকার প্রতি ভারতের কঠোর অবস্থানের লক্ষণ হিসেবে বিবেচনা করছেন।

৪. বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট এবং সময় খেলা

মার্কিন রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প মোদীকে বন্ধু বলে নমনীয়তা দেখানোর চেষ্টা করতে পারেন, তবে প্রধানমন্ত্রী মোদী দূরত্ব বজায় রাখার ইঙ্গিত দিয়েছেন। এটি কোয়াড শীর্ষ সম্মেলনে মার্কিন রাষ্ট্রপতির অনুপস্থিতির সাথেও যুক্ত করা হচ্ছে।

গত সপ্তাহে চীনে অনুষ্ঠিত এসসিও বৈঠকে ভারতের সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং এখন আমেরিকার সাথে দূরত্ব, উভয়ই একসাথে দেখা যাচ্ছে।

৫. বিদেশ মন্ত্রকের বিবৃতি এবং আমেরিকার সাথে সম্পর্ক

বিদেশ মন্ত্রক স্পষ্টভাবে বলেছে যে আমেরিকার সাথে ভারতের সম্পর্ক শক্তিশালী। তবে বিশেষজ্ঞরা প্রধানমন্ত্রী মোদীর এই সিদ্ধান্তকে একটি বিশেষ বার্তা হিসেবে দেখছেন। ট্রাম্প প্রশাসনের মনোভাবের প্রতি ভারত আর নমনীয়তা দেখানোর মেজাজে নেই। এই পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে ভারতের স্বাধীন ও শক্তিশালী অবস্থানকেও প্রতিফলিত করে।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad