শীতকালে হাই ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে রাখতে কার্যকর বাবা রামদেবের বিশেষ যোগাসন - Press Card News

Breaking

Post Top Ad

Post Top Ad

Saturday, January 3, 2026

শীতকালে হাই ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে রাখতে কার্যকর বাবা রামদেবের বিশেষ যোগাসন


 আজকাল উচ্চ রক্তচাপের (বিপি) ঘটনা দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। শীতকালে এই সমস্যাটি বিশেষভাবে গুরুতর হয়ে ওঠে। ঠান্ডার কারণে রক্তনালীগুলি সংকুচিত হয়ে যায়, যা রক্তচাপ বাড়িয়ে তুলতে পারে। দীর্ঘ সময় ধরে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে না রাখলে এটি হৃদপিণ্ড, কিডনি এবং মস্তিষ্কের ক্ষতি করতে পারে। বয়স্ক ব্যক্তিরা, স্থূলকায় এবং পূর্বে রক্তচাপের সমস্যায় ভুগছেন এমন ব্যক্তিদের ঝুঁকি বেশি। তাই, সময়মতো এটি নিয়ন্ত্রণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। যোগাসন কেবল শরীরকে সক্রিয় রাখে না বরং মানসিক চাপ কমাতে এবং রক্ত ​​সঞ্চালন উন্নত করতেও সাহায্য করে।



এমন পরিস্থিতিতে, স্বামী রামদেবের সুপারিশকৃত যোগাসনগুলি প্রাকৃতিকভাবে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়ক বলে মনে করা হয়। আসুন জেনে নেওয়া যাক শীতকালে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে কোন যোগাসনগুলি উপকারী হতে পারে।


বাবা রামদেব ব্যাখ্যা করেছিলেন যে ভুজঙ্গাসন বুক খুলে দেয় এবং ফুসফুসে অক্সিজেন প্রবাহ উন্নত করে। শীতকালে, যখন ঠান্ডার কারণে রক্তনালীগুলি সংকুচিত হয়, তখন এই আসন রক্ত ​​সঞ্চালন উন্নত করতে সাহায্য করে। এটি হৃদপিণ্ডের উপর চাপ কমায় এবং রক্তচাপ বজায় রাখে।

মান্ডুকাসন

মান্ডুকাসন পাকস্থলী এবং স্নায়ুর উপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। এটি চাপ এবং উদ্বেগ কমাতে সাহায্য করে, যা শীতকালে উচ্চ রক্তচাপের একটি প্রধান কারণ হতে পারে। এই আসন শরীরকে শিথিল করে এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

শশাঙ্কসন

শশাঙ্কসন একটি যোগাসন যা মনকে শান্ত করে। শীতকালে চাপ এবং মানসিক চাপ রক্তচাপ বৃদ্ধি করতে পারে। এই আসন মানসিক শান্তি প্রদান করে, হৃদস্পন্দন স্বাভাবিক করে এবং উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

স্থিত কোনাসন

স্থিত কোনাসন শরীরের ভারসাম্য এবং রক্ত ​​প্রবাহ উন্নত করে। এটি হৃদপিণ্ড এবং পেশীগুলিকে সক্রিয় রাখে, শীতকালে হঠাৎ রক্তচাপ বৃদ্ধির ঝুঁকি হ্রাস করে। নিয়মিত ব্যায়াম শরীরকে উষ্ণ এবং রক্তচাপ ভারসাম্যপূর্ণ রাখে।

উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের জন্যও এগুলি গুরুত্বপূর্ণ:

লবণ গ্রহণ সীমিত করুন।

প্রতিদিন হালকা ব্যায়াম করুন অথবা হাঁটুন।

মানসিক চাপ এবং উদ্বেগ থেকে দূরে থাকুন।

সময়মতো ওষুধ খান।

পর্যাপ্ত ঘুম পান।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad