প্রেসকার্ড নিউজ বিনোদন ডেস্ক, ২২ জানুয়ারি ২০২৬, ০৮:০০:০১ : হিন্দু ধর্মে পূজা-পাঠ বা কাহিনি শ্রবণের পর তিলক লাগানোর একটি প্রাচীন প্রথা রয়েছে। আমাদের সংস্কৃতিতে এর গুরুত্ব অত্যন্ত বেশি। বিশ্বাস করা হয়, তিলক লাগালে শুধু মানসিক নয়, আধ্যাত্মিক শক্তিও লাভ হয়। এই প্রথা যুগ যুগ ধরে চলে আসছে। তিলক লাগানোর সময় মানুষ সাধারণত মাথার ওপর পেছনের দিকে হাত রাখে। অনেকেই একে কেবল রীতি-রেওয়াজ বলে মনে করেন, কিন্তু এর পেছনের বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা খুব কম মানুষই জানেন। আজ আমরা তা-ই জানব, পাশাপাশি জানব তিলক লাগানোর সঠিক নিয়ম কী।
কেন মাথার ওপর হাত রাখা হয়?
খুব কম মানুষই জানেন যে তিলক লাগানোর পেছনে শুধু ধর্মীয় নয়, আধ্যাত্মিক যুক্তিও রয়েছে। শাস্ত্র মতে, খালি কপালকে অশুভ মনে করা হয়। এই কারণেই যুগ যুগ ধরে তিলক লাগানোর প্রথা চলে আসছে।
তিলক লাগানোর সময় কোন আঙুল ব্যবহার করা হচ্ছে, তারও আলাদা তাৎপর্য আছে।
অনামিকা আঙুলে তিলক লাগালে জীবনে শান্তি আসে।
মধ্যমা আঙুলে তিলক লাগালে আয়ু বৃদ্ধি পায় বলে বিশ্বাস।
বুড়ো আঙুলে তিলক লাগালে স্বাস্থ্যের উন্নতি হয় এবং যশ লাভ হয়।
অনামিকা আঙুলে তিলক লাগালে মান-সম্মান বৃদ্ধি পায়। এই আঙুলকে সূর্যের প্রতীক বলা হয়।
বুড়ো আঙুলের সম্পর্ক শুক্র গ্রহের সঙ্গে যুক্ত বলে মনে করা হয়।
প্রতিটি আঙুলের আলাদা গুরুত্ব রয়েছে। তাই তিলক লাগানোর সময় মাথার ওপর হাত রাখা হয়, যাতে শরীরের শক্তির প্রবাহ সঠিকভাবে কাজ করে।
তিলক লাগানোর সঠিক নিয়ম
এবার জেনে নেওয়া যাক তিলক লাগানোর সঠিক পদ্ধতি কী—
সবসময় স্নান করার পরই কপালে তিলক লাগানো উচিত।
নিজে তিলক লাগানোর আগে দেবতার কপালে তিলক দেওয়াই শ্রেয়।
যদি নিজে তিলক লাগান, তাহলে অনামিকা আঙুল ব্যবহার করাই উত্তম।
চেষ্টা করা উচিত ঘুমোতে যাওয়ার আগে কপাল থেকে তিলক মুছে ফেলা।
অনেক মত অনুসারে, যদি তিলক না তোলা হয়, তবে জীবনে নেতিবাচকতা বাড়তে পারে।

No comments:
Post a Comment