প্রেসকার্ড নিউজ বিনোদন ডেস্ক, ২১ জানুয়ারি : মিঠাই’ ধারাবাহিকের হাত ধরে দর্শকমহলে পরিচিতি লাভ করেন অভিনেত্রী সৌমিতৃষা কুণ্ডু। দর্শকের কাছে তিনি সকলের প্রিয় মিঠাই রানী। এই ধারাবাহিকের পর সৌমিতৃষাকে আর পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি। দেবের নায়িকা হয়ে বড়পর্দায় পা রাখেন।
এরপর তার অভিনীত ওয়েব সিরিজ ‘কালরাত্রি’র দর্শকমহলে প্রশংসা পাচ্ছে। ইন্ডাস্ট্রিতে ইতিমধ্যে সুনাম অর্জন করেছেন অভিনেত্রী। তবে আচমকাই অভিনেত্রীর একটি ভিডিও ঘিরে শুরু হয়েছে সমালোচনা। যদিও পর্দার মিঠাই বরাবরই সমালোচনায় থাকেন।
ভিডিওটি SIR শুনানির, মঙ্গলবার এসআইআর-এর ছোট জাগুলিয়া আইটিআই কলেজে হাজির হয়েছিলেন সৌমিতৃষা। আর সেখানে গিয়ে নাকি সাধারণ লাইনে দাঁড়াতে নরাজ অভিনেত্রী। সেই নিয়ে শুরু বিতর্ক।
বাবার নামে ভুল থাকা ডাক পরে অভিনেত্রী। নির্ধারিত সময়ে সেখানে উপস্থিত হন অভিনেত্রী। ভাইরাল হওয়া ভিডিয়োতে দেখা যাচ্ছে যে, লাইনে না দাঁড়িয়ে সোজা অফিসে ঢুকে যান ছোটপর্দার মিঠাই। তারকাকে দেখে চেয়ার ছেড়ে দেন বিএলও। চেয়ারে বসেই নথিপত্রে স্বাক্ষর করার কাজ চলতে থাকে। কিন্তু সেই কাজে বাধা দেন বিডিও । তাকে চিৎকার করতেও দেখা যায়। শোনা
এক নামী সংবাদমাধ্যমকে সৌমিতৃষা জানান, ‘বিএলও আমাকে নিজের চেয়ার বসতে দিয়েছিলেন। হতে পারে তিনি আমার ভক্ত। আমিও জানতাম না যে বিএলও-র চেয়ারে বসতে নেই। আর বিডিয়ো এটা দেখেই রেগে যান। উনি বিএলও-র উপরেই চিৎকার করছিলেন। কারণ এটা সামনে এলে ওঁর চাকরি চলে যেতে পারে। আমার সঙ্গে বিডিওর কোনো ঝামেলাই হয়নি। বরং উনি পরে এসে আমাকে ওভাবে চিৎকার করার জন্য সরিও বলেছেন।’
শোনা যাচ্ছে বিডিও ওভাবে চিৎকার করায় সৌমিতৃষা বারাসত ১ নম্বর ব্লক পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি হালিমা বিবি এবং সহ-সভপতি গিয়াসউদ্দিন মণ্ডলের কাছে গিয়ে উষ্মা প্রকাশ করেন। সৌমিতৃষার দাবি, হালিমা বিবিও তাঁকে জানান যে, বিএলও যেহেতু তাঁকে নিজের চেয়ারে বসতে দিয়েছে, আর সেখানে কোনো নাগরিকের বসার অধিকার নেই, তাই রেগে গিয়েছিলেন বিডিও।
অভিনেত্রীর সেই ভিডিও ঘিরে নানা মানুষের নানা মত। যদিও শুনানি কেন্দ্র থেকে বেরিয়ে একটি শব্দ খরচ করেননি অভিনেত্রী।

No comments:
Post a Comment