‘আমার মৃত্যু কামনা করেছে! হ্যাঁ আমার দোষ ছিল’, অবশেষে সত্যি সবার সামনে আনল দেবলীনা নন্দী - Press Card News

Breaking

Post Top Ad

Post Top Ad

Saturday, January 10, 2026

‘আমার মৃত্যু কামনা করেছে! হ্যাঁ আমার দোষ ছিল’, অবশেষে সত্যি সবার সামনে আনল দেবলীনা নন্দী



প্রেসকার্ড নিউজ বিনোদন ডেস্ক, ১০ জানুয়ারি : ইতিমধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল কেমন আছেন দেবলিনা? তা জানতে উত্তাল নেটপাড়া। হাসপাতালে বেশ কিছুদিন ধরে চিকিৎসা চলার পর বাড়ি ফিরেছেন গায়িকা। এখন তার মায়ের কাছেই আছেন। মানসিকভাবে বিধ্বস্ত থাকলেও তিনি আবার স্বাভাবিক জীবনে ও গানে ফেরার চেষ্টা করছেন।


বাড়ি ফিরেও নেটিজেনদের মন্তব্যে অতিষ্ঠ গায়িকা। কেউ বলেছেন সমস্তটাই সহানুভূতি এবং জনপ্রিয়তা পাওয়ার নাটক। তো কেউ বলেছেন সম্পর্কে তৃতীয় ব্যক্তির হস্তক্ষেপ। এতদিন শারীরিক অবস্থার কারনে চুপ থাকলেও এবার লাইভে এসে এত প্রশ্ন ট্রোল সবকিছুর জবাব দিয়েছেন গায়িকা।



দেবলিনা বলেন, এটাই আমার প্রথম ও শেষ বক্তব্য। অনেকেই বলেছেন আশঙ্কাজনক অবস্থায় কি ব্লগ করা যায়, অনেকেই আমার মৃত্যু কামনা করেছেন। তাদের অনেককিছু বলতে পারতাম কিন্তু এসব প্রমান সমেত অন্য জায়গায় দেখাব। বিয়ে হয়েছে মানেই নিজেকে বিক্রি করিনি, যে নিজের মাকে ছেড়ে দেব। হ্যাঁ, আমার দোষ ছিল আসল অপরাধীকে সবার সামনে ভালো সাজিয়েছি। এবার দরকার হলে উল্টোটা করব।


এখন যা পরিস্থিতি তাতে মনে হচ্ছে, বেঁচে গিয়ে বড় ভুল করে ফেলেছি। ৭৮ না ৬৮ নাকি ৮০, এটা নিয়ে সবার মাথাব্যাথা। আমি বলছি না খুব ভালো কাজ করেছি বা আত্মহত্যাই একমাত্র মুশকিল আসান ছিল। কিন্তু অনেকেই অনেক কিছু বলেছে। যার মধ্যে নন্দিনী ভট্টাচার্য, উনি বলছেন সম্পর্ক ছেড়ে বেড়িয়ে আসতে।


আমি প্রবাহকে ভালোবেসে বিয়ে করি। আমার চোখ যখন বন্ধ হয়ে আসছিল তখনও ওর কথাই ভেবেছি। আমি কোনদিন ডিভোর্স দেব সেটা ভাবিনি। প্রবাহ আমায় কতটা ভালবাসে জানি না, তবে ওর কাছে কাজ আর মায়ের কথার মুল্য আমার থেকেও বেশি। যে কথাটা না বললেই নয়, প্রবাহ নিজেই যদি বলে সায়ককে নিয়ে ওর কোন সমস্যা ছিল না তাহলে বেশি গ্রহনযোগ্য হবে।



সায়ক আমার বাড়ি আসত, সুন্দর সময় কাটিয়েছি অনেক। প্রবাহ না থাকলে কোনদিন পা রাখেনি। আমরা যেখানে থাকি সেখানে গাড়ির নম্বর দিয়ে এন্ট্রি হয়। তাই লুকিয়ে চুরিয়ে আসার রাস্তা নেই। কাজ ছাড়া সায়কের সঙ্গে আমার দেখা হত না। কথাও ঘুরতেও যায়নি একসঙ্গে। বেকার সায়ককে টেনে আনা হচ্ছে, শুধু প্রথম যোগাযোগটা আমি ওকে করেছিলাম তাই।


ওকেই আমি ভরসা করে সেদিন কিছু বলতে চেয়েছিলাম। আজ আপনাদের বলছি, প্রবাহ ওর মায়ের কথা শুনলে অন্যরকম হয়ে যায়, ম্যাসেজ এনক্রিপ্ট করে রাখে। সবাই বলেছিল পাইলটদের চরিত্র ভালো হয় না। কিন্তু আমি বলেছিলাম মানি না। আমরা ভালই ছিলাম। বিয়ের পরই সমস্যা শুরু করে প্রবাহের মা।


ওনার কথা, আমার গানের সব অনুষ্ঠানের ম্যানেজমেন্ট উনি সামলাবেন। কেন, আমার মা থাকলে নাকি সব টাকা ওদিকে চলা যাচ্ছে। তাও কুকুরের মত আমি প্রবাহর পিছনে ঘুরে গেছি। আজও ওকে আমি ছাড়তে চাই না। সবাই বলছে টাকার জন্য নাকি এরম করেছি। কিন্তু বিশ্বাস করুন ওর একটা ফোনের অপেক্ষা করছি শুধু। বলতে গিয়েই অঝোরে কেদে ফেললেন দেবলিনা।



এছাড়াও গায়িকা বলে, ‘প্রবাহর মা, প্রবাহকে রেজিস্ট্রি করতে বারণ করেছিল কারণ যদি প্রবাহ মরে যায় তাহলে ওর সব টাকা আমি পেয়ে যাব।’ দেবলীনার দাবি অনুযায়ী, তাঁর শাশুড়ি ভয় পেয়েছিলেন যে যদি তাঁদের আইনি বিয়ে সম্পন্ন হয়, তবে আইনের চোখে দেবলীনা প্রবাহের বৈধ উত্তরাধিকারী হয়ে যাবেন। এই আর্থিক কারণেই তাঁর শাশুড়ি প্রবাহকে রেজিস্ট্রি করতে বাধা দিয়েছিলেন।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad