লাইফস্টাইল ডেস্ক, ২৩ জানুয়ারি ২০২৬: আজকের পরিবর্তিত জীবনযাত্রায়, থাইরয়েড প্রতিটি বাড়িতেই একটি সাধারণ রোগ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কখনও কখনও, এটি হঠাৎ ওজন বৃদ্ধির কারণ হয় এবং কখনও কখনও এটি এত দুর্বল বোধ করাতে পারে। এমনকি বিছানা থেকে উঠতেও কষ্ট হয়। এর কারণ হল আমাদের গলায় একটি ছোট, প্রজাপতি আকৃতির গ্রন্থি রয়েছে যা আমাদের শরীরের বিপাক এবং শক্তি নিয়ন্ত্রণ করে। যখন এই গ্রন্থিটি অলস হয়ে যায়, তখন পুরো শরীরের সিস্টেম ব্যাহত হয়। আসুন ৫টি সুপারফুড সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক যা এই সমস্যা মেটাতে সহায়ক হতে পারে -
দই
থাইরয়েড গ্রন্থির কার্যকারিতার জন্য আয়োডিনের প্রয়োজন। দই কেবল আয়োডিনের একটি ভালো উৎস নয়, এটি পেটের জন্যও ভালো। এতে থাকা প্রোবায়োটিক প্রদাহ কমাতে পারে। প্রতিদিন এক বাটি টকদই খেলে শরীর প্রয়োজনীয় পুষ্টি পায়।
বেরি
ব্লুবেরি, স্ট্রবেরি বা রাস্পবেরির মতো ফল অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ। এগুলি থাইরয়েড গ্রন্থিকে অক্সিডেটিভ স্ট্রেস বা বাহ্যিক ক্ষতি থেকে রক্ষা করতে পারে। প্রতিদিন সকালের জলখাবারে কয়েকটি বেরি খেলে বিপাক বৃদ্ধি পেতে পারে এবং ক্লান্তি কমতে পারে।
সবুজ শাকসবজি
পালং শাক, কেল জাতীয় সবজি ভিটামিন এ এবং ম্যাগনেসিয়াম সমৃদ্ধ। ভিটামিন এ থাইরয়েড হরমোন তৈরিতে সাহায্য করে। আপনার খাদ্যতালিকায় এই সবজি অন্তর্ভুক্ত করলে শরীর মজবুত হয় এবং হরমোনের ভারসাম্য বজায় থাকে।
বাদাম এবং বীজ
কুমড়োর বীজ, বাদাম এবং আখরোট জিঙ্ক এবং সেলেনিয়ামের চমৎকার উৎস। থাইরয়েড হরমোন উৎপাদনের জন্য এই দুটি খনিজ অপরিহার্য। প্রতিদিন সকালে শুকনো ফল খাওয়া আপনার শক্তির মাত্রা উচ্চ রাখতে সাহায্য করতে পারে।
আমলকি
আমলকি ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের একটি পাওয়ার হাউস। এটি কেবল আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে পারে, তাই নয় বরং থাইরয়েড সমস্যার কারণে হওয়া চুল ও ত্বকের সমস্যা দূর করতেও সাহায্য করে। আপনি এটি রস বা গুঁড়ো আকারে খেতে পারেন।
বি.দ্র: এই প্রতিবেদনে দেওয়া তথ্য শুধুমাত্র রোগ ও স্বাস্থ্য সমস্যা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে। এটি কোনও ভাবেই যোগ্য চিকিৎসা মতামতের বিকল্প নয়। নিজে থেকে কোনও ওষুধ, চিকিৎসার জন্য চেষ্টা না করে একজন ডাক্তার বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

No comments:
Post a Comment