ওয়ার্ল্ড ডেস্ক, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬: নদীতে গিয়ে পড়ল যাত্রীবোঝাই বাস। ভয়াবহ এই দুর্ঘটনায় কমপক্ষে ১৮ জনর মৃত্যু হয়েছে। নেপালে ঘটেছে এই ভয়াবহ দুর্ঘটনাটি। পোখরা থেকে কাঠমান্ডুগামী একটি বাস ধাদিংয়ের ত্রিশুলী নদীতে পড়ে যায়।
জানা গিয়েছে, বেনিঘাট রোরাং গ্রামীণ পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের চরৌন্ডির কাছে চিন্নাধারার কাছে বাসটি গভীর রাত ১:১৫ মিনিট নাগাদ নদীতে পড়ে যায়। ধাদিং জেলা ট্রাফিক পুলিশ আধিকারিক জানিয়েছেন, প্রথমে কম হলেও পরবর্তীতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৮ জনে দাঁড়িয়েছে, যাদের মধ্যে মহিলাও রয়েছেন। মোট ২৭ জন যাত্রী আহত হয়েছেন।
আধিকারিকরা নিশ্চিত করেছেন যে, দুর্ঘটনায় ৬ জন মহিলা এবং ১২ জন পুরুষ মারা গেছেন। আহতদের মধ্যে ৮ জন মহিলা, ১৮ জন পুরুষ এবং একজন নাবালিকা সহ মোট ২৭ জন যাত্রীকে উদ্ধার করা হয়েছে। তাঁদের চিকিৎসার জন্য বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
ধাদিং জেলার বেনিঘাট রোরাং গ্রামীণ পৌরসভা-৫-এর ভাইসেপতি এলাকার কাছে রাত ১টার দিকে পৃথ্বী মহাসড়কে বাসটি চলাচল করছিল। বাসটি প্রায় ৩০০ মিটার ঢাল থেকে নীচে পড়ে যায় এবং নদীর তীরে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। খবর পেয়ে প্রশাসন ঘটনাস্থলে পৌঁছায় ও উদ্ধারকাজ শুরু করে।
নেপাল সেনাবাহিনী, সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী, নেপাল পুলিশ এবং স্থানীয় জনগণের সহায়তায় উদ্ধার অভিযান চালানো হয়। আধিকারিকরা জানিয়েছেন, রাতের এই ঘটনা উদ্ধার প্রচেষ্টাকে কঠিন করে তুলেছে।
সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর মুখপাত্র বিষ্ণু প্রসাদ ভট্টের মতে, পোখরা থেকে কাঠমান্ডুগামী বাসটি রাত ১.৩০ মিনিটে কাঠমান্ডু থেকে প্রায় ৯০ কিলোমিটার পশ্চিমে পৃথ্বী হাইওয়েতে ত্রিশুলী নদীতে পড়ে গেলে দুর্ঘটনাটি ঘটে। আধিকারিকরা জানিয়েছেন, বাস দুর্ঘটনায় নিহতদের মধ্যে নিউজিল্যান্ডের একজন পুরুষ যাত্রীও রয়েছেন। আহতদের মধ্যে একজন জাপানি এবং একজন ডাচ নাগরিক, দুজনেই মহিলা।
বাস দুর্ঘটনার সঠিক কারণ এখনও জানা যায়নি। পুলিশ সন্দেহ করছে যে, অতিরিক্ত গতির কারণেই এই দুর্ঘটনা ঘটে থাকতে পারে।


No comments:
Post a Comment