ওয়ার্ল্ড ডেস্ক, ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬: বাংলাদেশের নির্বাচনে বিএনপির নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছে। দলের সভাপতি তারেক রহমান দেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এই জয়ের পর, তারেক রহমান প্রতিবেশী দেশগুলির সাথে সম্পর্ক পুনরুজ্জীবিত করার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছেন। এই আবহে তারেক রহমানের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে আমন্ত্রণ জানানোর জন্য বিএনপির অন্দরে দাবী উঠছে।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬) বিএনপি নেতা এএনএম এহসানুল হক মিলন আশা প্রকাশ করেছেন যে, আসন্ন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী মোদীকে আমন্ত্রণ জানানো হবে। তাঁর কথায়, 'সবাই বন্ধু, কারও সাথে বৈরিতা নয়।'
তারেক রহমানের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে দক্ষিণ এশীয় নেতাদের আমন্ত্রণ জানানো সম্পর্কে জানতে চাইলে বিএনপি নেতা বলেন, "আমি ঠিক জানি না তারা কী করছেন, তবে আশা করি তারা সবাইকে আমন্ত্রণ জানাবেন। আমি ঠিক জানি না কিন্তু তাঁকে (ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী)-কে আমন্ত্রণ জানানো উচিৎ। এটি সাধারণ সৌজন্য। আয়োজকরা এটি করবেন। আমি আশা করি পুরো বিশ্ব আমাদের সাথে থাকবে।"
সংবাদ সংস্থা এএনআই-এর সাথে কথা বলতে গিয়ে, বিএনপি নেতা এহসানুল হক পররাষ্ট্র নীতির কথা উল্লেখ করে বলেন, "সকলের সাথে বন্ধুত্ব, কারও সাথে বৈরিতা নয়।" বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান যেকোনও মূল্যে বাংলাদেশে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি তার জনগণের স্বার্থের দ্বারা নির্ধারিত হবে। ভারতের থেকে শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণের দাবী সম্পর্কে তিনি বলেন, "এটি আইনি প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভর করে।"
প্রসঙ্গত, বাংলাদেশের নির্বাচনে জয়লাভের পর তারেক রহমান বলেন, "আমাদের সরকার এখন সারা দেশে আইনশৃঙ্খলা এবং একটি শক্তিশালী নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করবে।" তিনি ক্ষমতার জবাবদিহিতার আশ্বাস দেন। খালেদা পুত্র বলেন, "প্রত্যক্ষ ভোটের মাধ্যমে জনগণের কাছে জবাবদিহিতাপূর্ণ একটি সংসদ এবং সরকার পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হচ্ছে। কোনও অশুভ শক্তি যাতে স্বৈরশাসন পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে না পারে এবং দেশ যাতে গোলাম-দেশে পরিণত না হয় তা নিশ্চিত করার জন্য আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে এবং জনগণের ইচ্ছাকে সম্মান করতে হবে।"


No comments:
Post a Comment