মনের মতো জীবনসঙ্গীর খোঁজে? মহা শিবরাত্রিতে এই বিশেষ উপায়ে খুলবে ভাগ্য, আসবে অর্থও - Press Card News

Breaking

Post Top Ad

Post Top Ad

Wednesday, February 11, 2026

মনের মতো জীবনসঙ্গীর খোঁজে? মহা শিবরাত্রিতে এই বিশেষ উপায়ে খুলবে ভাগ্য, আসবে অর্থও



প্রেসকার্ড নিউজ বিনোদন ডেস্ক, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৯:০০:০১ : প্রতি বছরের মতো এবারও ফাল্গুন মাসের কৃষ্ণ পক্ষের চতুর্দশী তিথিতে গভীর শ্রদ্ধা ও ভক্তির সঙ্গে মহাশিবরাত্রি পালিত হবে। এই উৎসবকে ভগবান শিব ও মাতা পার্বতীর দিব্য মিলনের প্রতীক হিসেবে ধরা হয়। ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, এই দিনে করা পূজা, ব্রত ও জপে মহাদেব দ্রুত প্রসন্ন হন এবং ভক্তদের মনোবাসনা পূরণ করেন। বিশেষ করে অবিবাহিত কন্যাদের জন্য এই দিনটি পছন্দের জীবনসঙ্গী লাভের শ্রেষ্ঠ সুযোগ হিসেবে বিবেচিত হয়।



সংবাদ মাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আম্বালার জ্যোতিষাচার্য পণ্ডিত দীপলাল জয়পুরি জানান, শিবরাত্রির দিনই ভগবান শিব ও মাতা পার্বতীর বিবাহ সম্পন্ন হয়েছিল, তাই সনাতন ধর্মে এই দিনটি অত্যন্ত শুভ বলে মানা হয়। এবার ফাল্গুন মাসের কৃষ্ণ চতুর্দশী তিথি ১৫ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা ৫টা ০৪ মিনিটে শুরু হয়ে ১৬ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা ৫টা ৩৪ মিনিট পর্যন্ত থাকবে। উদয়া তিথি অনুযায়ী, চলতি বছরে মহাশিবরাত্রি ১৫ ফেব্রুয়ারিতেই পালিত হবে।



দোষ থেকে মুক্তি

পণ্ডিত দীপলাল জয়পুরি জানান, মহাশিবরাত্রির দিনে সকাল ৭টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা ৪৮ মিনিট পর্যন্ত সর্বার্থ সিদ্ধি যোগ থাকবে। উত্তরাষাঢ়া ও শ্রবণ নক্ষত্রের শুভ সংযোগ গঠিত হবে। সারাদিন ব্যতীপাত যোগ থাকবে, আর রাতে নিশীথ কাল থাকবে রাত ১১টা ৫২ মিনিট থেকে ১২টা ৪২ মিনিট পর্যন্ত। এই দিনে অভিজিৎ মুহূর্ত ও অমৃতকালকে বিশেষ ফলদায়ক বলে মনে করা হচ্ছে।



পণ্ডিত দীপলাল আরও বলেন, মহাশিবরাত্রিতে শিবলিঙ্গে কিছু বিশেষ দ্রব্য অর্পণ করলে বিশেষ কৃপা লাভ হয়। প্রথমটি হলো বেলপাতা—১১টি বেলপাতা অর্পণ করতে হবে এবং মসৃণ দিকটি নিচের দিকে রাখতে হবে। দ্বিতীয়টি ধুতুরা ও ভাং, যা শিবের প্রিয় ভোগ হিসেবে বিবেচিত, কারণ এগুলি মানসিক শান্তি প্রদান করে। তৃতীয়টি হলো শমী ফুল। সাতটি শমী পুষ্প অর্পণ করলে দোষ থেকে মুক্তি ও ইচ্ছাপূরণ হয়।



বাধা কম করার উপায়

পণ্ডিত দীপলাল জয়পুরি জানান, যদি বিবাহে দেরি হয় বা দাম্পত্য জীবনে টানাপোড়েন চলতে থাকে, তাহলে মহাশিবরাত্রির দিনে শিব-পার্বতীর একসঙ্গে পূজা করা উচিত। মাতা পার্বতীকে সিঁদুর, চুড়ি ও টিপ অর্পণ করতে হবে এবং ভগবান শিবের পঞ্চামৃত দিয়ে অভিষেক করতে হবে। এই উপায়ে সম্পর্কের মধ্যে যোগাযোগ ও বোঝাপড়া বৃদ্ধি পায়।



মহাশিবরাত্রিতে আখের রস দিয়ে শিবলিঙ্গে অভিষেক করলে অর্থসংক্রান্ত বাধা কম হয়। ‘ॐ নমঃ শিবায়’ মন্ত্র জপ করতে করতে এই অভিষেক করলে মনে ইতিবাচক শক্তির সঞ্চার হয়, যা সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতাকে আরও দৃঢ় করে।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad