'সন্ত্রাসের কোনও স্থান নেই, একসঙ্গে লড়বে ভারত-ইজরায়েল’, পাকিস্তানকে কড়া বার্তা প্রধানমন্ত্রী মোদীর - Press Card News

Breaking

Post Top Ad

Post Top Ad

Thursday, February 26, 2026

'সন্ত্রাসের কোনও স্থান নেই, একসঙ্গে লড়বে ভারত-ইজরায়েল’, পাকিস্তানকে কড়া বার্তা প্রধানমন্ত্রী মোদীর



প্রেসকার্ড নিউজ ওয়ার্ল্ড ডেস্ক, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৮:৪৫:০২ : ইজরায়েল সফরে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী স্পষ্টভাবে বলেছেন, সন্ত্রাসবাদ কোনও পরিস্থিতিতেই মেনে নেওয়া যায় না। তিনি জোর দিয়ে জানান, ভারত ও ইজরায়েল কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সন্ত্রাসবাদ ও তার পৃষ্ঠপোষকদের বিরুদ্ধে লড়াই করে এসেছে এবং ভবিষ্যতেও করবে। ইজরায়েলের মাটিতে দেওয়া এই বার্তাকে পাকিস্তানের উদ্দেশ্যে কড়া সতর্কবার্তা হিসেবেই দেখা হচ্ছে।



প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্বে সন্ত্রাসবাদের কোনও স্থান নেই। ভারত ও ইজরায়েল একসঙ্গে দৃঢ়ভাবে এর বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে থাকবে বলেও তিনি জানান। পশ্চিম এশিয়ায় শান্তি ও স্থিতিশীলতার সঙ্গে ভারতের সরাসরি স্বার্থ জড়িত—এই কথাও তুলে ধরেন তিনি। তাই ভারত সবসময় সংলাপ ও শান্তিপূর্ণ সমাধানের পক্ষেই রয়েছে। গাজা শান্তি পরিকল্পনা অঞ্চলটিতে শান্তির পথ খুলে দিয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। বিভিন্ন আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ইস্যুতে ইজরায়েলি নেতৃত্বের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।



প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু-র আন্তরিক অভ্যর্থনার জন্য কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি বলেন, ৯ বছর আগে প্রথম ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ইজরায়েল সফরের সুযোগ পেয়েছিলেন, আর আবার এখানে আসা তাঁর জন্য গর্ব ও আবেগের বিষয়। ইজরায়েলি সংসদের সম্মান পাওয়ার জন্যও তিনি ধন্যবাদ জানান।



মোদী জানান, ভারত-ইজরায়েল সম্পর্ক গভীর বিশ্বাস, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও মানবিক সংযোগের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। দুই দেশ তাদের সম্পর্ককে ‘স্পেশাল স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপ’-এ উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।



বাণিজ্য, প্রযুক্তি ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতা

দুই দেশের মধ্যে বিনিয়োগ বাড়াতে গত বছর BTA চুক্তি হয়েছে এবং শীঘ্রই FTA চূড়ান্ত করা হবে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। প্রযুক্তিকে এই অংশীদারিত্বের মূল ভিত্তি হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ইজরায়েলে UPI চালুর দিকেও অগ্রগতি হয়েছে। প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে দীর্ঘদিনের সহযোগিতা আরও জোরদার করা হবে এবং যৌথ উৎপাদন ও প্রযুক্তি হস্তান্তরে গুরুত্ব দেওয়া হবে।



ইজরায়েলের সহায়তায় ভারতে ‘সেন্টার অফ এক্সিলেন্স’-এর সংখ্যা ১০০-তে পৌঁছানোর লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ‘ভিলেজ অফ এক্সিলেন্স’ প্রকল্পের মাধ্যমে ইজরায়েলি প্রযুক্তি ভারতের গ্রামে পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা চলছে, যাতে কৃষকরা সরাসরি উপকৃত হন। এছাড়াও ভারত-ইজরায়েল ইনোভেশন অ্যাগ্রিকালচার সেন্টার এবং একাডেমিক ফোরাম গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad