ন্যাশনাল ডেস্ক, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬: শিক্ষক মানেই সমাজ গড়ার কারিগর। শিশুদের ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন শিক্ষক-শিক্ষিকারা। কিন্তু সম্প্রতি এমন একটি ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে, যা শুনলে শিউড়ে উঠতে হয়। এক স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে শিক্ষকের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে গুজরাতের খেড়ার চিতলাউ গ্রামে। অভিযুক্ত শিক্ষকের নাম শৈলেশ রাঠওয়া। যার ওপর শিশুদের ভবিষ্যৎ গঠনের দায়িত্বে ছিল, তিনিই একটি নিষ্পাপ শিশুর জীবন নষ্ট করার জন্য তৎপর হয়ে ওঠেন।
নির্যাতিতা যখন অষ্টম শ্রেণীতে পড়ত, তখন থেকেই স্কুলের শিক্ষক
শৈলেশের তাঁর ওপর কুনজর পড়ে। তাকে হয়রানি করা, যৌন নির্যাতন করতে থাকে। এরপর অষ্টম
শ্রেণী পাস করার পর,
ছাত্রীটি পরবর্তী শ্রেণিতে পড়ার জন্য সাওলিতে চলে
যায় কিন্তু এখানেও তার পিছু ছাড়েননি ওই শিক্ষক। যৌন নির্যাতন থেকে শুরু হওয়া শিক্ষকের এই অত্যাচার ধর্ষণের মতো জঘন্য অপরাধের
রূপ নেয়। এমনকি অভিযুক্ত শিক্ষক ওই ছাত্রীকে তার ছবি ভাইরাল
করার হুমকি দিয়ে মুখ বন্ধ রাখতে বাধ্য করেন।
তবে ঐ যে, সবকিছুর
যেমন সীমা থাকে, এক্ষেত্রেও তাই-ই হল; শেষমেশ ধৈর্যের বাঁধ ভাঙে নির্যাতিতার। ভীত ছাত্রীটি
নীরবতা ভেঙে তার পরিবারকে জানায় শিক্ষকের এই কুকীর্তির কথা। এমন ভয়ঙ্কর কাণ্ডের কথা
শুনে কান্না ও ক্ষোভে ফেটে পড়ে ছাত্রীর পরিবার। তৎক্ষণাৎ তাঁরা আইনের দ্বারস্থ হয়।
অভিযোগ পেয়েই সক্রিয় হয় ডাকোর পুলিশ। বিষয়টির গুরুত্ব বিবেচনা করে অভিযুক্ত শিক্ষক
শৈলেশ রাঠওয়ারের বিরুদ্ধে যৌন অপরাধ থেকে শিশুদের সুরক্ষা (পকসো) আইনের বিভিন্ন ধারা
এবং ধর্ষণের মামলা দায়ের করা হয়।
এদিকে তদন্তে
নেমে পুলিশ জানতে পারে অভিযুক্ত শিক্ষক পলাতক। বিগত ৭-৮ দিন ধরে ওই শিক্ষক স্কুলেও
যাচ্ছেন না। অভিযুক্তকে গ্রেফতারের জন্য পুলিশ আইনি প্রক্রিয়া শুরু করেছে।

No comments:
Post a Comment