হিমবাহ ভেঙে নাকি অন্য কারণ? ধরালি জলপ্রলয় নিয়ে ইসরোর বড় দাবী - Press Card News

Breaking

Post Top Ad

Post Top Ad

Saturday, March 7, 2026

হিমবাহ ভেঙে নাকি অন্য কারণ? ধরালি জলপ্রলয় নিয়ে ইসরোর বড় দাবী



প্রেসকার্ড নিউজ ন্যাশনাল ডেস্ক, ০৭ মার্চ ২০২৬, ১০:৫৮:০১ : উত্তরাখণ্ডের উত্তরকাশী জেলার ধরালি এলাকায় ২০২৫ সালের আগস্টে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ জলপ্রলয় নিয়ে নতুন চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। সেই দুর্যোগে অন্তত ৬৮ জনের মৃত্যু হয়েছিল এবং প্রায় পুরো ধরালি শহর মাটির সঙ্গে মিশে গিয়েছিল। মন্দির, দোকান, বাজার—সবকিছু হাজার হাজার টন ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে যায়।


প্রথমে মনে করা হয়েছিল এই বিপর্যয়ের কারণ ছিল মেঘভাঙা বৃষ্টি বা প্রবল বর্ষণ। তবে এবার ইসরো-এর স্যাটেলাইট বিশ্লেষণে উঠে এসেছে ভিন্ন কারণ।



ইসরোর রিপোর্টে নতুন দাবি

ইসরোর গবেষণায় বলা হয়েছে, মেঘভাঙা বৃষ্টি বা অতিবৃষ্টির কারণে নয়, বরং হিমবাহের নিচ থেকে বিশাল বরফখণ্ড ভেঙে পড়ার কারণেই এই জলপ্রলয় তৈরি হয়েছিল। রিপোর্ট অনুযায়ী, হিমবাহের প্রায় ০.২৫ বর্গকিলোমিটার এলাকা থেকে প্রায় ৭৫ হাজার ঘনমিটার বরফ ও ধ্বংসাবশেষ প্রায় ১.৭ কিলোমিটার নিচে ধসে পড়ে।



এই ধসের ফলে প্রায় ৬৯ লক্ষ কেজি বরফ ঢাল বেয়ে নিচে নেমে আসে। নিচে নামার সময় তীব্র ঘর্ষণে বরফ দ্রুত গলে পানি হয়ে যায় এবং সেই স্রোত ভয়াবহ বন্যার রূপ নেয়।



পাহাড় থেকেই নেমে এসেছিল মৃত্যুর স্রোত

২০২৫ সালের ৫ আগস্ট ধরালিতে পাহাড় থেকে আচমকা নেমে আসে ভয়ংকর জলস্রোত। নতুন স্যাটেলাইট ছবির বিশ্লেষণে ইসরো জানিয়েছে, উপরের দিক থেকে দ্রুতগতিতে বরফ ও ধ্বংসাবশেষ নেমে এসে খীর গঙ্গা নদীর ক্যাচমেন্ট এলাকায় জমে থাকা মাটি ও পাথরকে সঙ্গে নিয়ে ভয়াবহ ধ্বংসযজ্ঞ সৃষ্টি করে।



ভাগীরথী উপত্যকায় ব্যাপক ক্ষতি

এই দুর্যোগ শুধু ধরালি বা হর্ষিল এলাকাতেই সীমাবদ্ধ ছিল না, বরং পুরো ভাগীরথী উপত্যকা জুড়েই ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। প্রথমদিকে যে কারণগুলো বলা হচ্ছিল মেঘভাঙা বৃষ্টি বা গ্লেশিয়ার লেক ফেটে যাওয়া তা পরে সঠিক নয় বলে প্রমাণিত হয়।


গবেষণায় দেখা গেছে, ধরালি থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার উপরে অবস্থিত শ্রীকণ্ঠ গ্লেশিয়ার অঞ্চলের একটি বড় বরফস্তর হঠাৎ ভেঙে পড়ায় এই বিপর্যয় ঘটে।


স্যাটেলাইট ও ভিডিও বিশ্লেষণে তৈরি টাইমলাইন

ইসরোর বিজ্ঞানীরা মাল্টি-টেম্পোরাল স্যাটেলাইট ছবি, হাই-রেজোলিউশন ডিজিটাল এলিভেশন মডেল (DEM) এবং বিভিন্ন ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ করে পুরো ঘটনার টাইমলাইন তৈরি করেছেন।


গবেষক দল—গিরিবাবু দণ্ডবথুলা, ওমকার শশিকান্ত ঘটগে, শুভম রায়, অপূর্ব কুমার বেরা এবং সুশীল কুমার শ্রীবাস্তব—এই তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।


তাদের মতে, হঠাৎ বিশাল বরফস্তর ধসে পড়ার ঘটনাই পাহাড়ি ওই অঞ্চলে ভয়াবহ জলপ্রলয়ের প্রধান কারণ হয়ে 

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad