নিজস্ব সংবাদদাতা, ১০ এপ্রিল ২০২৬: বিধানসভা নির্বাচনের আবহে উদ্ধার আগ্নেয়াস্ত্র ও কার্তুজ। ভাঙড়ে আইএসএফ কর্মীর বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে এই আগ্নেয়াস্ত্র ও কার্তুজ। বৃহস্পতিবার রাতে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড়ে এক আইএসএফ কর্মীর বাড়ি থেকে তিনটি আগ্নেয়াস্ত্র ও দুটি কার্তুজ উদ্ধার করেছে উত্তর কাশিপুর থানার পুলিশ। ভাঙড় ২ নম্বর ব্লকের ভোগালী ১ নম্বর অঞ্চলের রঘুনাথপুর খালপাড় এলাকার ঘটনা। একজনকে আটক করেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, হাবিবুর রহমান মোল্লা নামে এক ব্যক্তির বাড়িতে তল্লাশি চালায় উত্তর কাশিপুর থানার পুলিশ। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে সকাল থেকেই ওই ব্যক্তির ওপর নজরদারি চালানো হচ্ছিল। পরে তিনি বাড়িতে ঢুকতেই পুলিশ অভিযান চালায়। তল্লাশি চলাকালীন তার বাড়ি থেকে তিনটি আগ্নেয়াস্ত্র ও দুটি কার্তুজ উদ্ধার হয়।
অভিযুক্তের পরিবারের দাবী, এই অস্ত্র ও কার্তুজ কোথা থেকে এসেছে তা তাদের জানা নেই। তবে হাবিবুর রহমান মোল্লা যে আইএসএফের কর্মী এবং বিভিন্ন মিটিং-মিছিলে অংশ নেন, তা পরিবারের পক্ষ থেকে স্বীকার করা হয়েছে।
পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, অভিযুক্ত ব্যক্তি অবৈধ অস্ত্র সরবরাহের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারে। উদ্ধার হওয়া এই অস্ত্রগুলি কোথা থেকে আনা হয়েছে এবং কোথায় সরবরাহ করা হতো, তা খতিয়ে দেখতে ইতিমধ্যেই অভিযুক্ত হাবিবুর রহমান মোল্লাকে আটক করে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
এই ঘটনায় আইএসএফের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছেন ভাঙড় বিধানসভার তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী শওকত মোল্লা। তাঁর দাবী, নওশাদ সিদ্দিকী ওই অঞ্চলে বোমা-আগ্নেয়াস্ত্রর শিল্প তৈরি করেছে। তৃণমূল কর্মীদের ওপর হামলার জন্য হাড়োয়া থেকে এই অস্ত্র আনা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি। নওশাদ সিদ্দিকীকে অবিলম্বে গ্ৰেফতার করা উচিৎ বলেও দাবী শওকতের। তাঁর কথায়, 'আমরা নির্বাচন কমিশনকে অনুরোধ করব, প্রথমেই নওশাদ সিদ্দিকীকে গ্ৰেফতার করা উচিৎ, নাহলে ভাঙড়ের এই রক্তের হোলি খেলা বন্ধ হবে না।'
অন্যদিকে স্থানীয় আইএসএফ নেতৃত্বের দাবী, ঘটনার তদন্ত হোক এবং তাঁদের দলের কর্মীও যদি দোষী হয়, তাহলে তার শাস্তি হোক।

No comments:
Post a Comment