ন্যাশনাল ডেস্ক, ১৪ জুন ২০২৬: জলের জন্য বইল রক্ত। একটি সামান্য বিবাদ রূপ নিল সহিংস সংঘর্ষে। দুই গোষ্ঠীর এই সহিংসতায় নির্মম ভাবে খুন এক যুবক। আহত আরও ২ যুবক। তাঁরা চিকিৎসাধীন। উত্তরাখণ্ডের রাজধানী দেরাদুনের সাহাসপুরের কাছে ঘটেছে এই ঘটনা। শনিবার গভীর রাত পর্যন্ত চলেছে বিক্ষোভ।
ওই যুবকের ওপর হামলার ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবীতে অপর পক্ষের লোকজন বিক্ষোভ শুরু করেন। রাস্তা অবরোধ করে গভীর রাত পর্যন্ত এই বিক্ষোভ চলে। অবরোধ সরাতে পুলিশকে বেশ বেগ পেতে হয়।
অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে বুলডোজার দিয়ে ব্যবস্থা এবং উত্তরাখণ্ডের যোগী মডেলের দাবীতে মানুষ স্লোগান দেয়। দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সহিংস সংঘর্ষের কারণে প্রশাসনও অ্যালার্ট মোডে রয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সহিংসতাকবলিত এলাকায় বিভিন্ন থানার পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গভীর রাতে পিএসি-কেও তলব করা হয়।
মৃত যুবকের পরিবার বক্তব্য, "তাদের বাড়ি ভেঙে না দেওয়া পর্যন্ত তাঁরা মরদেহ নিয়ে যেতে দেবে না। যতদিন তাদের বাড়িতে শোকের পরিবেশ থাকবে, ততদিন তারা আজান দিতে দেবেন না। এখন একটাই কথা; মুখ্যমন্ত্রীর প্রতিনিধি এসে জবাব দেবেন। আমাদের ধামি জি, যোগী জির চেয়ে কম নন। যোগী জি যা করেছেন, ধামি জি এখানেও তাই করবেন।"
ঘটনাটি সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানিয়ে এসপি সিটি প্রমোদ কুমার বলেন, "হিংসাত্মক সংঘর্ষে জড়িত দুই পক্ষের মধ্যে পুরনো শত্রুতা ছিল। শনিবার বিনোদ ও তার ভাই একটি সরকারি নলকূপ থেকে তাদের জমিতে জল দিচ্ছিলেন। পাশের জমির মালিক ইমতিয়াজ আপত্তি জানালে দুই পক্ষের মধ্যে বিবাদ শুরু হয়। ইমতিয়াজ প্রায় এক ডজন লোক নিয়ে বিনোদ ও তাঁর ভাইকে আক্রমণ করে। হিংসাত্মক সংঘর্ষে গুরুতর আহত বিনোদ চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান, আর তার দুই ভাই আশঙ্কাজনক অবস্থায় রয়েছেন।"
ইমতিয়াজ ও তার গুন্ডাদের মারধরে বিনোদের মৃত্যুর খবর এলাকায় দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ে। হিন্দু সংগঠনগুলো এবং স্থানীয় বিধায়ক মুন্না চৌহান ঘটনাস্থলে পৌঁছান। তাঁরা সকলেই পুলিশের বিরুদ্ধে তাঁদের ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

No comments:
Post a Comment