হরমুজে জাহাজ চলাচল নিয়ে হুঁশিয়ারি ইরানের, কী নিয়ে হুঁশিয়ারি? - Press Card News

Breaking

Post Top Ad

Post Top Ad

Wednesday, July 29, 2026

হরমুজে জাহাজ চলাচল নিয়ে হুঁশিয়ারি ইরানের, কী নিয়ে হুঁশিয়ারি?


ওয়ার্ল্ড ডেস্ক, ২৯ জুলাই ২০২৬: মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে, ইরানের বাজেয়াপ্ত বা ফ্রিজ করা সম্পদ সংক্রান্ত পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। ইরান হুঁশিয়ারি দিয়েছে যে, তারা সেইসব দেশ ও কোম্পানির বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে হরমুজ প্রণালী দিয়ে যেতে বাধা দেবে, যে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতে হওয়া নিজ ক্ষতির ক্ষতিপূরণের জন্য ইরানের ফ্রিজ হওয়া সম্পত্তি ব্যবহার করবে। ইরানের খাতাম আল-আনবিয়া কেন্দ্রীয় সদর দফতরের মুখপাত্রের এক বিবৃতি এবং ইরানের সরকারি সংবাদমাধ্যম আইআরআইবি-র প্রতিবেদন অনুসারে, আমেরিকার তীব্র সমালোচনা করেছে ইরান। কারণ তারা ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের সময় 

নিশানা করা জাহাজগুলোর ক্ষতির ক্ষতিপূরণের জন্য ইরানের ফ্রিজ সম্পদ ব্যবহার করতে চেয়েছিল। 


ইরানের ফ্রিজ সম্পদ ব্যবহারের মার্কিন পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে খাতাম আল-আনবিয়া কেন্দ্রীয় সদর দফরের মুখপাত্র বলেছেন যে, যুদ্ধের সময় ক্ষতিগ্রস্ত জাহাজগুলোর ক্ষতিপূরণ ইরানের ফ্রিজ তহবিল থেকে নেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে। হরমুজ প্রণালীর দক্ষিণে অবৈধ ও অনিরাপদ পথ ব্যবহার এবং নিরাপত্তাহীনতা সৃষ্টির দায়ে মার্কিন সামরিক বাহিনী কর্তৃক ইরানের ওপর চাপানো যুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্ত জাহাজগুলোর ক্ষতিপূরণ ইরানের ফ্রিজ সম্পদ থেকে দেওয়া হবে।


খাতাম আল-আনবিয়া কেন্দ্রীয় সদর দফতরের মুখপাত্র বলেন, 'যদি কোনও দেশ বা কোম্পানি এই ধরনের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করে, ইরানের বাহিনী তাদের জাহাজগুলিকে হরমুজের মধ্য দিয়ে যেতে বাধা দেবে।'


এদিকে, নিজের 'এক্স' পোস্টে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাইয়েদ আব্বাস আরাঘচি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, অন্য দেশের সম্পদ ফ্রিজ করে তার থেকে এমন দাবী মেটানো, যার ওই টাকার সঙ্গে কোনও লেনাদেনা নেই, সেটা আন্তর্জাতিক নিয়মকানুনকে দুর্বল করবে এবং ব্যাপক অস্থিরতা সৃষ্টি করবে।


আরাঘচি তাঁর 'এক্স' পোস্টে লিখেছেন, "ভবিষ্যতের এমন দাবীর জন্য কোনও দেশের সম্পদ ফ্রিজ করা এক ধরণের উস্কানি। যারা এই ধরণের তহবিল থেকে লাভবান হবেন, তাদের মনে রাখা উচিৎ যে, সরকারগুলো একবার সম্পদ ফ্রিজ করাকে স্বাভাবিক বলে মেনে নিলে, কারও সম্পদই নিরাপদ থাকবে না। এর ফলে সৃষ্ট বিশৃঙ্খলা ভালো বা শান্তিপূর্ণ হবে না।"


উল্লেখ্য, এই মন্তব্যটি এমন এক সময়ে এসেছে যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন যে, ভবিষ্যতে জাহাজ, পণ্যসম্ভার বা সংশ্লিষ্ট সামুদ্রিক সম্পদের কোনও ক্ষতি হলে, তার ক্ষতিপূরণ যুক্তরাষ্ট্রের কাছে থাকা ও নিয়ন্ত্রিত ইরানি তহবিল থেকে করা হবে।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad