ন্যাশনাল ডেস্ক, ৩১ জুলাই ২০২৬: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সভাপতিত্বে শুক্রবার (৩১ জুলাই, ২০২৬) সংসদে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এই বৈঠকটি এমন এক সময়ে অনুষ্ঠিত হল, যখন লোকসভা ও রাজ্যসভা উভয় কক্ষেই বিরোধী দল অমিত শাহের সভায় উপস্থিতি এবং তাঁর পদত্যাগের দাবী জানিয়ে আসছিল। এছাড়াও এদিন বিরোধী দলের ক্রমাগত হট্টগোল ও স্লোগানের মধ্যেই লোকসভা জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন (সংশোধন) বিলটি অনুমোদন করে। স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিত্যানন্দ রায়ের উত্থাপিত বিলটি ধ্বনি ভোটে পাস হয়। এরপর লোকসভার অধিবেশন সোমবার (৩ জুলাই) সকাল ১১টা পর্যন্ত মুলতবি করা হয়।
এতে বলা হয়েছে যে, কোনও জন্ম বা মৃত্যুর ঘটনা ঘটার এক বছরের মধ্যে যদি তা রেজিস্ট্রারকে জানানো হয়, তবে তা শুধুমাত্র জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, এসডিএম, বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমোদনেই নিবন্ধিত হতে পারবে। বিলম্বিত নিবন্ধনের বিধানগুলোকে আরও কঠোর করতে এবং জন্ম ও মৃত্যুর সময়মতো প্রতিবেদন দাখিলে উৎসাহিত করার জন্য এই সংশোধনীগুলো আনা হয়েছে।
সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু সংসদে সৃষ্ট হট্টগোল নিয়ে বিরোধী দলকে লক্ষ্য করে কথা বলেন। তিনি বলেন, সরকার চায় এই গুরুত্বপূর্ণ বিলটির আলোচনায় সকল সদস্য অংশগ্রহণ করুক এবং বিজনেস অ্যাডভাইজরি কমিটিতে (বিএসি) এর জন্য সময়ও নির্ধারণ করা হয়েছিল। তিনি বিরোধী দলকে বাইরে গিয়ে বিলটি কোনও আলোচনা ছাড়াই পাস হয়েছে বলে দাবী না করার জন্য অনুরোধ করেন। এদিকে, রাজ্যসভায় বিরোধী দল নিট ইস্যুতে ছাত্র আন্দোলনের সময় পুলিশের পদক্ষেপ এবং অন্যান্য বিষয় নিয়ে স্লোগান তোলে।
প্রসঙ্গত, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সভাপতিত্বে ৩০শে জুলাইও সংসদ ভবন চত্বরে স্থিত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে নিরাপত্তা বিষয়ক মন্ত্রিসভা কমিটি (সিসিএস) পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করার জন্য বৈঠক হয়। বৈঠকে জোর দেওয়া হয় যে, ভারত সরকার কঠোর অবস্থান নেবে এবং কোনও অবস্থাতেই ভারতীয় নাবিকের মৃত্যু বরদাস্ত করবে না।

No comments:
Post a Comment