জিমে হঠাৎ হার্ট অ্যাটাক কেন হয়? শরীরচর্চা নয়, বিপদ বাড়াতে পারে কোন ভুলগুলো—জানুন কারা বেশি ঝুঁকিতে - Press Card News

Breaking

Post Top Ad

Post Top Ad

Sunday, September 6, 2026

জিমে হঠাৎ হার্ট অ্যাটাক কেন হয়? শরীরচর্চা নয়, বিপদ বাড়াতে পারে কোন ভুলগুলো—জানুন কারা বেশি ঝুঁকিতে


 
জিমে গিয়ে শরীরচর্চা করতে করতে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়া, মাটিতে লুটিয়ে পড়া কিংবা মৃত্যুর খবর মাঝেমধ্যেই সামনে আসে। এরপরই অনেকের মনে প্রশ্ন জাগে—জিম করা কি সত্যিই হার্টের জন্য বিপজ্জনক? বিশেষজ্ঞদের মতে, বিষয়টি এতটা সরল নয়। নিয়মিত ও সঠিক মাত্রার শরীরচর্চা বরং হৃদ্‌যন্ত্রের জন্য অত্যন্ত উপকারী। সমস্যা তৈরি হতে পারে যখন দীর্ঘদিন নিষ্ক্রিয় থাকার পর হঠাৎ অত্যন্ত কঠিন ব্যায়াম শুরু করা হয়, অথবা কারও আগে থেকে থাকা হৃদ্‌যন্ত্রের সমস্যা বা ঝুঁকির কারণ অজানা থেকে যায়।


আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশন (AHA) এবং CDC-র তথ্য অনুযায়ী, নিয়মিত শারীরিক কার্যকলাপ হৃদ্‌রোগ, স্ট্রোক, উচ্চ রক্তচাপ ও টাইপ-২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য সপ্তাহে অন্তত ১৫০ মিনিট মাঝারি মাত্রার শারীরিক কার্যকলাপ একটি প্রচলিত লক্ষ্য।

তাই ‘জিমে গেলেই হার্ট অ্যাটাক হয়’—এই ধারণা ভুল। বরং কীভাবে ব্যায়াম করছেন, আপনার শরীর সেই পরিশ্রমের জন্য প্রস্তুত কি না এবং কোনও হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি রয়েছে কি না—সেগুলোই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

হার্ট অ্যাটাক আর কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট এক নয়
জিমে কেউ হঠাৎ পড়ে গেলে অনেক সময় ঘটনাটিকে ‘হার্ট অ্যাটাক’ বলা হয়। কিন্তু চিকিৎসাবিজ্ঞানে হার্ট অ্যাটাক (Heart Attack) এবং সাডেন কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট (Sudden Cardiac Arrest) এক জিনিস নয়।
হার্ট অ্যাটাক সাধারণত হয় যখন হৃদ্‌যন্ত্রের কোনও অংশে রক্ত সরবরাহকারী ধমনীতে বাধা তৈরি হয়। ফলে হৃদ্‌যন্ত্রের পেশিতে অক্সিজেন পৌঁছতে বাধা পায়।

অন্যদিকে কার্ডিয়াক অ্যারেস্টে মূল সমস্যা হতে পারে হৃদ্‌যন্ত্রের বৈদ্যুতিক কার্যকলাপের গুরুতর গোলমাল। ফলে হৃদ্‌যন্ত্র কার্যকরভাবে রক্ত পাম্প করতে পারে না এবং আক্রান্ত ব্যক্তি দ্রুত অচেতন হয়ে যেতে পারেন। AHA-র মতে, হার্ট অ্যাটাক কখনও কখনও কার্ডিয়াক অ্যারেস্টকে ট্রিগার করতে পারে, কিন্তু দুটো একই ঘটনা নয়।

তাহলে জিমে হঠাৎ সমস্যা কেন হতে পারে?

ব্যায়ামের সময় শরীরের অক্সিজেন ও রক্তের প্রয়োজন বাড়ে। হৃদ্‌যন্ত্রকে তখন তুলনামূলক বেশি কাজ করতে হয়। একজন সুস্থ ও নিয়মিত অনুশীলনকারী ব্যক্তির শরীর সাধারণত এই পরিবর্তনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারে।

কিন্তু কেউ যদি দীর্ঘদিন শারীরিকভাবে নিষ্ক্রিয় থাকার পর হঠাৎ খুব ভারী ওয়ার্কআউট শুরু করেন, তাহলে শরীরের ওপর আচমকা অতিরিক্ত চাপ পড়তে পারে।

বিশেষ করে যাদের মধ্যে আগে থেকেই রয়েছে—

উচ্চ রক্তচাপ
ডায়াবেটিস
উচ্চ কোলেস্টেরল
স্থূলতা
ধূমপানের অভ্যাস
হৃদ্‌রোগের পারিবারিক ইতিহাস

আগে থেকে থাকা হৃদ্‌যন্ত্রের সমস্যা

তাদের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত পরিশ্রমের বিষয়ে আরও সতর্ক থাকা প্রয়োজন। CDC-ও উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, স্থূলতা, ধূমপানসহ একাধিক বিষয়কে হৃদ্‌রোগের গুরুত্বপূর্ণ ঝুঁকির সঙ্গে যুক্ত করেছে।

দীর্ঘদিন ব্যায়াম না করে হঠাৎ ভারী ওয়ার্কআউট কেন ভুল?

ধরা যাক, একজন ব্যক্তি কয়েক মাস বা কয়েক বছর প্রায় কোনও ব্যায়ামই করেননি। হঠাৎ ওজন কমানোর জন্য জিমে গিয়ে প্রথম দিনেই ভারী ওজন তোলা, দ্রুত ট্রেডমিলে দৌড়ানো বা অত্যন্ত কঠিন সার্কিট ট্রেনিং শুরু করলেন।

এটি শরীরের জন্য অপ্রস্তুত অবস্থায় অতিরিক্ত চাপ তৈরি করতে পারে।

তাই নতুন করে ব্যায়াম শুরু করলে প্রথম থেকেই নিজের সর্বোচ্চ ক্ষমতায় পৌঁছানোর চেষ্টা না করে ধীরে ধীরে সময় ও তীব্রতা বাড়ানোই নিরাপদ পদ্ধতি।

CDC-র পরামর্শ অনুযায়ী, শারীরিকভাবে সক্রিয় হওয়ার ক্ষেত্রে ধীরে শুরু করা এবং নিজের শারীরিক অবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কার্যকলাপ বাড়ানো গুরুত্বপূর্ণ। যাদের দীর্ঘস্থায়ী অসুস্থতা রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলাও প্রয়োজন হতে পারে।
শুধু জিম নয়, নিয়মিত হাঁটাও হৃদ্‌যন্ত্রের জন্য উপকারী
হৃদ্‌স্বাস্থ্যের জন্য ব্যায়াম মানেই জিমে গিয়ে ভারী ওজন তোলা নয়।

দ্রুত হাঁটা, সাইক্লিং, সাঁতার, হালকা দৌড়, সিঁড়ি দিয়ে ওঠানামা—এসবও শারীরিক কার্যকলাপের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হতে পারে।

CDC বলছে, নিয়মিত শারীরিক কার্যকলাপ হৃদ্‌রোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাতে, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে এবং শরীরের ওজন ঠিক রাখতে সাহায্য করে। এমনকি সপ্তাহে ১৫০ মিনিটের লক্ষ্যে পৌঁছতে না পারলেও কিছুটা শারীরিক কার্যকলাপ না থাকার চেয়ে ভালো।

অর্থাৎ, ‘কম করব, কিন্তু নিয়মিত করব’—এই পদ্ধতি অনেক ক্ষেত্রেই ‘হঠাৎ বেশি করব’ পদ্ধতির চেয়ে বাস্তবসম্মত।

তরুণদের ক্ষেত্রেও কি হঠাৎ কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হতে পারে?

তরুণ বয়সে হঠাৎ কেউ ব্যায়াম করতে গিয়ে অচেতন হয়ে পড়লে সেটিকে শুধুমাত্র হার্ট অ্যাটাক বলে ধরে নেওয়া ঠিক নয়।

কিছু ক্ষেত্রে জন্মগত হৃদ্‌যন্ত্রের সমস্যা, হৃদ্‌যন্ত্রের পেশির অসুখ, বৈদ্যুতিক ছন্দের সমস্যা বা অন্যান্য কার্ডিয়াক সমস্যাও ভূমিকা রাখতে পারে।

কখনও কখনও এই সমস্যাগুলোর কোনও স্পষ্ট উপসর্গ আগে থেকে নাও থাকতে পারে। কিন্তু প্রবল শারীরিক পরিশ্রমের সময় সমস্যা প্রকাশ পেতে পারে।

তাই তরুণ বা দেখতে সম্পূর্ণ ফিট হলেই যে হৃদ্‌যন্ত্রের কোনও ঝুঁকি নেই—এমন নিশ্চয়তা দেওয়া যায় না।
জিমে যাওয়ার আগে কারা বিশেষ সতর্ক থাকবেন?
নিচের যেকোনও বিষয় থাকলে নতুন করে কঠিন
ওয়ার্কআউট শুরু করার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া ভালো—
1. আগে থেকে হৃদ্‌রোগ থাকলে
2. উচ্চ রক্তচাপ থাকলে
3. ডায়াবেটিস থাকলে
4. কোলেস্টেরল বেশি হলে
5. অতিরিক্ত ওজন বা স্থূলতা থাকলে
6. ধূমপান বা তামাক সেবনের অভ্যাস থাকলে
7. পরিবারে অল্প বয়সে হৃদ্‌রোগের ইতিহাস থাকলে
8. আগে থেকেই পরিশ্রম করলে বুকে ব্যথা বা অস্বস্তি হলে
9. হাঁটা বা সিঁড়ি ওঠার সময় অস্বাভাবিকভাবে শ্বাসকষ্ট হলে
10. ব্যায়ামের সময় আগে কখনও মাথা ঘুরে যাওয়া বা অজ্ঞান হওয়ার ঘটনা থাকলে।
11.
এ ধরনের ক্ষেত্রে কী ধরনের ব্যায়াম, কতক্ষণ এবং কতটা তীব্রতায় করা নিরাপদ—তা ব্যক্তিভেদে আলাদা হতে পারে।
ওয়ার্কআউটের সময় কোন লক্ষণগুলো একেবারেই উপেক্ষা করবেন না?
ব্যায়াম করতে গিয়ে নিচের কোনও লক্ষণ দেখা দিলে ‘আর একটু করি’ বলে জোর করে চালিয়ে যাওয়া উচিত নয়।


সতর্ক হওয়ার লক্ষণ

বুকে চাপ, ব্যথা বা ভারী লাগা
অস্বাভাবিক বা অতিরিক্ত শ্বাসকষ্ট
মাথা ঘোরা
অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার মতো অনুভূতি
হঠাৎ অস্বাভাবিক দুর্বলতা
হৃদ্‌স্পন্দন খুব দ্রুত বা অনিয়মিত হয়ে যাওয়া
ঠান্ডা ঘাম
ব্যথা বা অস্বস্তি হাত, কাঁধ, পিঠ, ঘাড় বা চোয়ালে ছড়িয়ে পড়া

AHA-ও ব্যায়ামের সময় বুকে চাপ বা ব্যথা, অস্বাভাবিক শ্বাসকষ্ট, মাথা ঘোরা, অত্যধিক ক্লান্তি এবং দ্রুত বা অনিয়মিত হৃদ্‌স্পন্দনের মতো লক্ষণকে গুরুত্ব দিতে বলেছে।

এমন কোনও উপসর্গ দেখা দিলে ব্যায়াম বন্ধ করে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া জরুরি। বুকে ব্যথা বা চাপের সঙ্গে শ্বাসকষ্ট, ঘাম, বমিভাব, মাথা ঘোরা বা ব্যথা ছড়িয়ে পড়ার মতো লক্ষণ থাকলে এটি জরুরি অবস্থা হতে পারে।
ট্রেডমিলে খুব দ্রুত দৌড়ানো কি বিপজ্জনক?
ট্রেডমিল নিজে বিপজ্জনক নয়। কিন্তু নিজের শারীরিক সক্ষমতার তুলনায় অত্যন্ত বেশি গতিতে দৌড়ানো বা দীর্ঘদিনের নিষ্ক্রিয়তার পর হঠাৎ উচ্চ-তীব্রতার ওয়ার্কআউট শুরু করা ঠিক নয়।
শরীরের সক্ষমতা অনুযায়ী ধীরে ধীরে গতি এবং সময় বাড়ানো উচিত।

বিশেষ করে নতুনদের ক্ষেত্রে ‘প্রথম দিনেই বেশি ক্যালোরি পোড়াব’—এই মানসিকতা সমস্যার কারণ হতে পারে।

ভারী ওজন তোলার ক্ষেত্রেও সতর্কতা জরুরি
ওজন তোলার সময় শরীরে সাময়িকভাবে রক্তচাপের পরিবর্তন হতে পারে। তাই ভুল কৌশলে অত্যন্ত ভারী ওজন তোলা, শ্বাস আটকে রেখে অতিরিক্ত জোর প্রয়োগ করা বা শরীরের ক্ষমতার বাইরে গিয়ে অনুশীলন করা এড়ানো উচিত।

বিশেষত যাদের উচ্চ রক্তচাপ বা হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে প্রশিক্ষিত ব্যক্তির তত্ত্বাবধানে এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যায়াম করা বেশি নিরাপদ।

দ্রুত শরীর বানানোর জন্য স্টেরয়েড? বড় ভুল
অনেকে দ্রুত পেশি বাড়ানোর জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়াই অ্যানাবলিক স্টেরয়েড বা অজানা ‘বডি-বিল্ডিং’ সাপ্লিমেন্ট ব্যবহার করেন।
এ ধরনের পদার্থের কিছু হার্ট ও রক্তচাপের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তাই দ্রুত ফল পাওয়ার আশায় অজানা সাপ্লিমেন্ট বা স্টেরয়েড নেওয়া উচিত নয়।

শরীরচর্চার ক্ষেত্রে ধীরে ফল পাওয়া অনেক বেশি নিরাপদ, দ্রুত ফল পাওয়ার চেষ্টা নয়।

ওয়ার্ম-আপ ও কুল-ডাউন কেন গুরুত্বপূর্ণ?

ওয়ার্কআউটের আগে কয়েক মিনিট হালকা হাঁটা বা সহজ নড়াচড়ার মাধ্যমে শরীরকে ধীরে ধীরে প্রস্তুত করা যেতে পারে। একইভাবে ব্যায়াম শেষ করার পর হঠাৎ সম্পূর্ণ থেমে না গিয়ে ধীরে ধীরে গতি কমানো ভালো অভ্যাস।

এতে শরীরকে হঠাৎ পরিবর্তনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়।

তাহলে কি জিমে যাওয়া বন্ধ করে দিতে হবে?
একেবারেই নয়।

বরং নিয়মিত শারীরিক কার্যকলাপ হৃদ্‌স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। CDC-র সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, নিয়মিত শারীরিক কার্যকলাপ হৃদ্‌রোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে এবং রক্তচাপ ও অন্যান্য স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে।

মূল কথা হল—জিম নয়, ভুল পদ্ধতিতে ব্যায়াম করাই সমস্যা তৈরি করতে পারে।

নতুন হলে হালকা থেকে শুরু করুন, শরীরের সংকেত বুঝুন, ধীরে ধীরে তীব্রতা বাড়ান এবং প্রয়োজন হলে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

কতটা ব্যায়াম করা উচিত?

সাধারণভাবে প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য সপ্তাহে অন্তত ১৫০ মিনিট মাঝারি মাত্রার শারীরিক কার্যকলাপ অথবা প্রায় ৭৫ মিনিট উচ্চ-তীব্রতার কার্যকলাপের পাশাপাশি সপ্তাহে অন্তত দুই দিন পেশি শক্তিশালী করার ব্যায়ামের পরামর্শ দেওয়া হয়।

তবে এটি একটি সাধারণ নির্দেশনা। কোনও ব্যক্তির বয়স, শারীরিক সক্ষমতা, পূর্বের অসুস্থতা এবং হৃদ্‌স্বাস্থ্যের ওপর ভিত্তি করে প্রয়োজন আলাদা হতে পারে।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা
জিমে কারও হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ার ঘটনা দেখে ভয় পেয়ে সম্পূর্ণ শরীরচর্চা বন্ধ করে দেওয়া যেমন ঠিক নয়, তেমনই সোশ্যাল মিডিয়ার ভিডিও দেখে নিজের ক্ষমতার বাইরে গিয়ে কঠিন ওয়ার্কআউট করাও উচিত নয়।

নিয়মিত ও পরিমিত শরীরচর্চা হৃদ্‌স্বাস্থ্যের বন্ধু। কিন্তু দীর্ঘদিন নিষ্ক্রিয় থাকার পর হঠাৎ অত্যন্ত কঠিন ব্যায়াম, অজানা হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি, অনিয়ন্ত্রিত উচ্চ রক্তচাপ-ডায়াবেটিস এবং সতর্কতার লক্ষণ উপেক্ষা করা বিপদ ডেকে আনতে পারে।

তাই শরীরচর্চার মূলমন্ত্র হওয়া উচিত—
ধীরে শুরু করুন → নিয়মিত করুন → শরীরের সংকেত বুঝুন → প্রয়োজন হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
জরুরি সতর্কতা
ব্যায়ামের সময় তীব্র বা নতুন ধরনের বুকের ব্যথা/চাপ, শ্বাসকষ্ট, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া বা গুরুতর অসুস্থতার লক্ষণ দেখা দিলে অপেক্ষা না করে জরুরি চিকিৎসা পরিষেবার সাহায্য নিন। হার্ট অ্যাটাক বা কার্ডিয়াক অ্যারেস্টের সন্দেহ হলে দ্রুত চিকিৎসা পাওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ডিসক্লেমার: এই প্রতিবেদনটি স্বাস্থ্যসচেতনতা ও সাধারণ তথ্যের উদ্দেশ্যে লেখা। এটি কোনও ব্যক্তিগত চিকিৎসা-পরামর্শ বা রোগ নির্ণয়ের বিকল্প নয়। আপনার হৃদ্‌রোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, কোলেস্টেরল, স্থূলতা বা অন্য কোনও দীর্ঘস্থায়ী সমস্যা থাকলে নতুন করে কঠিন ব্যায়াম শুরু করার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad