খার্গ দ্বীপের কাছে বড়সড় হামলা! ইরানের ট্যাংকার ধ্বংস যুক্তরাষ্ট্রের - Press Card News

Breaking

Post Top Ad

Post Top Ad

Saturday, September 5, 2026

খার্গ দ্বীপের কাছে বড়সড় হামলা! ইরানের ট্যাংকার ধ্বংস যুক্তরাষ্ট্রের


ওয়ার্ল্ড ডেস্ক, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬: যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা আবারও চরমে পৌঁছেছে। এরই মধ্যে, ইরানের সংবাদমাধ্যম খার্গ দ্বীপে একটি বড় হামলার দাবী করেছে। জানা গিয়েছে, খার্গ দ্বীপের কাছে প্রচণ্ড বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। এই বিস্ফোরণ সেখানেই হয়েছে, যেখানে প্রধান তেল কেন্দ্র অবস্থিত।‌ এসএনএন-এর একটি প্রতিবেদন অনুসারে, খার্গ দ্বীপের কাছে ইরানের একটি ট্যাংকারকে নিশানা করা হয়েছে।


যুক্তরাষ্ট্র শুধু ইরানের ট্যাংকারটিকেই নিশানা করেছে, নাকি খার্গ দ্বীপেও তাণ্ডব চালিয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। সম্প্রতি, যুক্তরাষ্ট্র একটি এআই ভিডিও প্রকাশ করে দাবী করেছিল যে, খার্গ দ্বীপ ধ্বংস হয়ে টুকরো টুকরো করে দেওয়া হয়েছে। ইরান যদিও যুক্তরাষ্ট্রের এই দাবী খারিজ করে দিয়েছে।


একদিকে যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের আগুন উস্কে দিচ্ছে, অন্যদিকে দাবী করছে, এটি যুদ্ধ নয়। মার্কিন প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবন ও কার্যালয় হোয়াইট হাউসে এক সংবাদ সম্মেলনে ভ্যান্সকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, ৩ নভেম্বরের সংসদীয় নির্বাচনের আগে এই যুদ্ধ শেষ হতে পারে কিনা। তিনি উত্তরে বলেন, "আমি এটাকে যুদ্ধ বলব না। এই মুহূর্তে কোনও সক্রিয় গোলাগুলি চলছে না।"


প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে সংঘাতকে একটি "সামান্য বিষয়" বলে অভিহিত করেছেন এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট জে.ডি. ভ্যান্সের এই বক্তব্যের সঙ্গে একমত হয়েছেন যে, পশ্চিম এশিয়ায় চলমান সংঘাতকে "যুদ্ধ" বলা যায় না। ওভাল অফিসে (মার্কিন প্রেসিডেন্টের দাপ্তরিক কার্যালয়) সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময়, একদিন আগে ভ্যান্সের মন্তব্য সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে ট্রাম্প বলেন যে, ইরানের ওপর মার্কিন হামলা এখন "মাঝে মাঝে" হচ্ছে। তিনি এই সংঘাতের তীব্রতাকে লঘু করে দেখানোর চেষ্টা করেন, যেখানে এই যুদ্ধে মার্কিন করদাতাদের ৩৭.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি খরচ হয়েছে এবং ১৮ জন মার্কিন সেনার মৃত্যু হয়েছে।


হরমুজ প্রণালী বিশ্বব্যাপী জ্বালানি বাণিজ্যের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পথ। আঞ্চলিক উত্তেজনার মধ্যে, এই প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে এর মধ্য দিয়ে চলাচলকারী জাহাজের সংখ্যা ব্যাপকভাবে কমে গেছে। বড় তেল ট্যাঙ্কার এবং গ্যাসবাহী জাহাজগুলো কার্যত এই পথ ব্যবহার করা বন্ধ করে দিয়েছে। উত্তেজনা বাড়ার আগে, বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল এবং তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) এই প্রণালী দিয়ে যেত।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad