'জয়ের পেছনে মহিলারাই, কোনও অভদ্র ভাষা সহ্য করব না', বিধানসভায় গর্জে উঠলেন মুখ্যমন্ত্রী - Press Card News

Breaking

Post Top Ad

Post Top Ad

Monday, September 7, 2026

'জয়ের পেছনে মহিলারাই, কোনও অভদ্র ভাষা সহ্য করব না', বিধানসভায় গর্জে উঠলেন মুখ্যমন্ত্রী


ন্যাশনাল ডেস্ক, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬: সোমবার তামিলনাড়ু বিধানসভার অধিবেশন চলাকালে মুখ্যমন্ত্রী জোসেফ বিজয় বিরোধী দলগুলোর ওপর প্রচণ্ড রেগে যান। বিজয় বিধানসভায় বলেন যে, জনগণ আন্না, এমজিআর, এনটিআর এবং এখন বিজয়ের মতো নেতাদের জনাদেশ দিয়েছেন। এই সময় বিজয় আরও বলেন যে, তাঁর জয়ের পেছনে প্রধান কারণ মহিলারা এবং তিনি তাঁদের বিরুদ্ধে কোনও ধরণের অভদ্র ভাষা সহ্য করবেন না।


তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী বিজয় বিধানসভায় বলেন, "আমার রাজনৈতিক বিজয়ের পেছনে মহিলারাই প্রধান কারণ। আমি মহিলাদের বিরুদ্ধে কোনও ধরণের অভদ্র ভাষা সহ্য করব না। রাজনৈতিক সমালোচনা কঠোর হতে পারে, কিন্তু মহিলাদের বিরুদ্ধে কোনও অবমাননাকর মন্তব্য যেন না হয়।"



মুখ্যমন্ত্রী বিজয় বিধানসভায় ডিএমকে-র বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগও তোলেন। মুখ্যমন্ত্রী বিজয় বলেন, "প্রাক্তন মন্ত্রী সেন্থিল বালাজি এবং তাঁর সহযোগীরা প্রতিটি টাসম্যাক (টিএএসএমএসি)-এর প্রতিটি দোকান থেকে ১০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত তোলাবাজি করেন। তাঁদের কারুর গ্যাং বলা হত। তাঁরা পরিকল্পিতভাবে দুর্নীতি চালিয়েছেন। যেখানেই ডিএমকে আছে, সেখানেই ভুল কাজ হবেই। যেখানেই ডিএমকে আছে, সেখানেই ভুল কাজ হয়।"


মুখ্যমন্ত্রী বিজয় বিধানসভায় বলেন, "ডিএমকে আমাকে তিনটি বিভাগের ফাইল খোলার জন্য চ্যালেঞ্জ করেছে। আমি এনাদের বিষয়ে বলেছিলাম যে, ডিএমকে সরকারের আমলে দুর্নীতি হয়েছে। তবে, তার আগে আমি ১৯৮৮ সালে গঠিত সরকারিয়া কমিশনের প্রতিবেদনটি পড়তে চাই, যা ডিএমকে সরকারের দুর্নীতি নিয়ে গঠিত হয়েছিল। কমিশন অভিযোগ করেছিল যে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী করুণানিধি মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে তাঁর পদের অপব্যবহার করেছিলেন। ইডি-ও অভিযোগ করেছে যে ডিএমকে দলীয় তহবিলের মাধ্যমে দুর্নীতি করেছিল। ইডি জানিয়েছে যে পূর্ববর্তী সরকারের আমলে মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্ট্যালিন, উপ-মুখ্যমন্ত্রী উদয়ানিধি স্ট্যালিন এবং মন্ত্রী সেন্থিল বালাজি দলীয় তহবিলের নামে অর্থ সংগ্রহ করেছিলেন।"


মুখ্যমন্ত্রী বিজয় বলেছেন যে, ডিএমকে-র এক নেতা বলেছিরেন, যারা তাদের ভোট দেন না, তাঁদের মরে যাওয়া উচিৎ। এনারা সেই লোক, যাঁরা ৫০ বছর ধরে তাঁদের ভোট দিয়ে আসছেন। মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ের প্রশ্ন, ডিএমকে-র যদি এমন ভাবনা থাকে, তাহলে রাজনৈতিক দল হিসেবে টিকে থাকার অধিকার তাদের কী করে থাকে? উল্লেখ্য যে, গত সপ্তাহে বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী বিজয় এবং ডিএমকে নেতা উদয়ানিধি স্ট্যালিনের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয়েছিল।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad