কোচবিহার: কংগ্রেস ও তৃণমূলকে সাইনবোর্ড পার্টি আখ্যা দিয়ে লোকসভা ভোটের লড়াইয়ে হুশিয়ারি দিলেন রাজ্য ও কেন্দ্রের দুই মন্ত্রী। নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর দুই বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচন নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূল, বিদ্রোহী তৃণমূল ও কংগ্রেস নিয়ে চাঞ্চল্যকর দাবী করলেন বিজেপি শাসিত কেন্দ্র ও পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের দুই মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার ও দিলীপ ঘোষ।
রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ রবিবার কোচবিহারে সাগরদিঘিতে ‘চায়ে পে চর্চা’ কর্মসূচিতে যোগ দেন। সেখানে তিনি সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বলেন, ‘সবাই প্রচার করবেন এবং সুষ্ঠু ও স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট হওয়া উচিৎ। কংগ্রেস কোথায়, কেউ জানেন না। রাহুল গান্ধীর বাংলায় উপনির্বাচনের প্রচারে আসা উচিৎ। তাহলে উনি বুঝবেন এখানে রাজনীতি কেমনভাবে হয়। আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রার্থী ভেগে যাচ্ছে তাঁকে ছেড়ে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাকি জীবন আদালতে গিয়ে কাটবে। হাইকোর্টে যাক, সুপ্রিম কোর্টে যাক তিনি। কেউ মানা করেনি তাঁকে।’তাছাড়া এই উপনির্বাচনে বিরোধী খুঁজেই পাচ্ছেন না বলে কটাক্ষ পঞ্চায়েত মন্ত্রীর।
এদিন সমস্ত গ্রাম পঞ্চায়েতের অডিট খতিয়ে দেখা হবে বলেও জানান তিনি। কোথাও কোনও খামতি বা অনিয়ম পাওয়া গেলে কড়া পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, ‘আগের সরকারের আমলে ব্যাপক অর্থ তছরুপ হয়েছে। দলের সমস্ত কর্মীকেও তাই সতর্ক করা হচ্ছে।’ এরপরই উপনির্বাচন নিয়ে দিলীপ ঘোষের খোঁচা, ‘বিরোধী দল কোথায় সেটা বোঝা যাচ্ছে না। বিরোধী প্রার্থী নেই, কিছুই নেই। শুধু অভিযোগ করছেন, এতে কিছু হয় না। ময়দানে লড়তে হয়। সমাজবিরোধীদের নিয়ে এতদিন রাজনীতি করত তৃণমূল কংগ্রেস। মানুষ সুযোগ পেতেই তাদের হারিয়ে দিয়েছে। এখনও সমাজবিরোধীদের নিয়ে চলার চেষ্টা করছে। তাই আইন আইনের মতো কাজ করছে।’
অন্যদিকে শনিবার মধ্যমগ্রামে এক অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার বলেন, 'আগে কংগ্রেসকে নিয়ে খিল্লি করত তৃণমূল। এখন তৃণমূলকে নিয়ে খিল্লি করছে কংগ্রেস। দুটো দলের এই একই অবস্থা। দুটোই পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে সাইনবোর্ড।'

No comments:
Post a Comment