কলকাতা: দুর্গা পুজোর আগেই রাজ্যে ভোট-পুজো। উপনির্বাচন হবে নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে। এই দুই আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করে দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নন্দীগ্রামে মমতা তৃণমূলের প্রার্থী সঞ্চিতা প্রধান দে আর রেজিনগরে প্রার্থী রবিউল আলম চৌধুরী।
প্রসঙ্গত, রবিউল আলম চৌধুরী রেজিনগরের প্রাক্তন বিধায়ক। ২০২৬ সালের রেজিনগর থেকে রবিউল আলম চৌধুরীকে সরিয়ে নিয়ে গিয়ে বেলডাঙায় প্রার্থী করা হয়েছিল। কেন্দ্র বদলের পর হারের সম্মুখীন হতে হয় রবিউলকে। সেই রবিউল আলম চৌধুরীকে আবার প্রার্থী করল মমতা-শিবির। এদিকে সঞ্চিতা প্রধান দে একেবারে রাজনীতির আলোচনায় নতুন মুখ।
নন্দীগ্রামে তৃণমূলের প্রার্থী কে হবেন, তা নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে উঠেছিল। রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন উঠেছিল, হতে পারে স্বয়ং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নন্দীগ্রামে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। সেক্ষেত্রে একেবারেই নতুন মুখে ভরসা রাখলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এটাই মমতার আসল চাল। নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর কেন্দ্রে আগামী ৬ অক্টোবর উপনির্বাচন হবে। রবিবার সন্ধ্যায় সমাজমাধ্যমে তৃণমূলের তরফে লেখা হয়, ‘আমাদের চেয়ারপার্সন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশনা ও অনুপ্রেরণায় সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরের আসন্ন উপনির্বাচনের জন্য প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করতে পেরে আনন্দিত।’
ছাব্বিশের নির্বাচনে নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুর-দুটি কেন্দ্রেই জয়ী হন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। নিয়ম মেনে একটি আসন ছাড়তে হয় তাঁকে। নিজের গড় নন্দীগ্রামের আসনটি ছেড়ে দেন শুভেন্দু। ফলে ওই কেন্দ্র নতুন করে নির্বাচন। অন্যদিকে, মু্র্শিদাবাদের রেজিনগর ও নওদা- জোড়া কেন্দ্রে জেতেন তৃণমূল থেকে বহিষ্কৃত অর্থাৎ আমজনতা উন্নয়ন পার্টির প্রতিষ্ঠাতা হুমায়ুন কবীর।

No comments:
Post a Comment