বিনোদন ডেস্ক, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬: দেশ জুড়ে ধূমধাম করে পালিত হয়ে গেল জন্মষ্টমী। এবারে রাধাষ্টমীর ব্রত পালনের পালা। মান্যতা রয়েছে রাধাষ্টমীর ব্রত পালন করলে সংসারের সমস্ত অশান্তি দূর হবে। ভাদ্রমাসের কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে পালিত হয় জন্মাষ্টমী। আর ওই একই মাসের শুক্লাপক্ষের অষ্টমী তিথিতে পালিত হয় রাধাষ্টমী ব্রত। এই পুণ্যতিথিতেই আবির্ভূত হয়েছিলেন কৃষ্ণের চিরসঙ্গী শ্রীরাধিকা।
রাধাষ্টমী কবে?
চলতি বছরের ১৯ সেপ্টেম্বর অর্থাৎ শনিবার রাধাষ্টমী। এদিন বেলা ১১টা ১৯ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৪৫ মিনিটের মধ্যে শুভক্ষণ। মান্যতা রয়েছে, অন্যান্য পার্বণের মতো এই তিথিতেও রয়েছে নির্দিষ্ট নিয়ম ও আহারবিধি। এই বিধি না মানলে বিপর্যয় ঘটতে পারে। এদিন ব্রত পালনে উপোস-সহ অন্যান্য আচার পালন করলে সুফল মেলে।
একনজরে দেখে নেওয়া যাক কী কী নিয়ম মানা প্রয়োজন-
রাধাষ্টমীতে অবশ্য শ্রীকৃষ্ণ ও শ্রীরাধার যুগল মূর্তির পুজো করুন।
শ্রীকৃষ্ণকে হলুদ এবং রাধারানিকে গোলাপি রঙের পোশাক পরান।
রাধাকৃষ্ণকে অবশ্যই আট রকমের উপাচার দিয়ে পুজো করুন।
রাধারানির রাবড়ি বড়ই প্রিয়। অবশ্যই তা নিবেদন করার চেষ্টা করুন।
রাধারানির চরণে ময়ূরের পালক অর্পণ করুন।
এবার জেনে নেওয়া যাক রাধাষ্টমীতে কোন কোন খাবার খাওয়া উচিৎ নয়-
তেতো খাবার একদম নয়।
পুঁইশাক, কলমিশাক, লালশাক- এই তিন শাক রাধাষ্টমী তিথিতে এড়িয়ে চলুন।
লাউ ও বেগুন সরাসরি বর্জন করুন।
রাধাষ্টমীতে ভক্তরা উপবাস পালন করেন এবং সাত্ত্বিক আহারের মাধ্যমে রাধারানীর আশীর্বাদ অর্জন করেন।
কৃষ্ণ জন্মাষ্টমীর ঠিক ১৫ দিন পরে এই উৎসব পালিত হয়। শাস্ত্রে বলা হয়েছে যে রাধার নাম শ্রী কৃষ্ণের চেয়ে মহান, কারণ রাধাই কৃষ্ণের কাছে পৌঁছানোর একমাত্র উপায়। পবিত্র রাধাষ্টমী পালন করলে মনোবাসনা পূরণ হয় বলে মনে করা হয়।

No comments:
Post a Comment