প্রেসকার্ড নিউজ বিনোদন ডেস্ক, ০১ জানুয়ারি ২০২৬, ০৯:০০:০১ : আজকের দ্রুতগতির জীবনে, বাড়ির বাইরে একটি ছোট বাগান কেবল সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে না, এটি এক প্রকার মানসিক চাপ উপশমকারী হিসেবেও কাজ করে। অনেকেই ভাবেন বাগান মানেই শুধু রঙিন ফুল, কিন্তু আধুনিক বাগান এখন অনেক বেশি সুবিধা দেয়।
আপনি আপনার বাগানকে কেবল সাজানোর জন্য নয়, রান্নাঘরের জন্যও ব্যবহার করতে পারেন। টব বা ছোট বিছানায় টমেটো, মরিচ, ধনে, পুদিনা এবং পালং শাক লাগান। এতে আপনার খাবার হবে তাজা ও জৈব, পাশাপাশি রান্নাঘরের খরচও কমবে।
শুধু তাই নয়, বাগানে ঔষধি গাছও লাগানো যায়। তুলসী, অ্যালোভেরা, গুল্ম, অশ্বগন্ধা, লেমনগ্রাস স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। লেবু, পেয়ারা এবং ডালিমের মতো ফলদায়ী গাছও টবে ফল ধরতে পারে।
যদি জায়গা সীমিত হয়, চিন্তা করবেন না। আরোহণকারী গাছ লাগান অথবা দেয়ালে প্লাস্টিকের টব ঝুলিয়ে বাগান করুন। এতে দুইটি সুবিধা হবে: আপনার বাগান সবসময় প্রস্তুত থাকবে, এবং একটি সবুজ পরিবেশ তৈরি হবে যেখানে চেয়ার নিয়ে বসে আরাম করা যাবে।
রোপণের আগে মাটির উর্বরতা বাড়াতে গোবর বা ভার্মিকম্পোস্ট মেশান। প্রতি ২–৩ মাস অন্তর আগাছা পরিষ্কার ও সার ব্যবহার করুন। গাছের সূর্যালোকের চাহিদা মেনে জল দিন—গোলাপের মতো গাছ সূর্য ভালো পছন্দ করে, আর মানি প্ল্যান্ট বা স্নেক প্ল্যান্ট কম আলোয় ভালো থাকে। খুব সকালে বা সন্ধ্যায় জল দেওয়া সবচেয়ে নিরাপদ; দুপুরের তীব্র রোদে জল দিলে শিকড়ের ক্ষতি হতে পারে।
পোকামাকড় নিয়ন্ত্রণ করতে রাসায়নিকের পরিবর্তে নিম তেল স্প্রে করুন। পরিবেশ ও গাছের জন্য এটি নিরাপদ। রান্নাঘরের খোসা ও শুকনো পাতা দিয়ে বাড়িতে কম্পোস্ট তৈরি করতে পারেন। এটি আপনার বাগানের জন্য ‘কালো সোনা’ প্রমাণিত হবে।
বাগান ও উদ্যানপালন বিভাগের বিশেষজ্ঞ প্রমোদ কুমার যাদব জানান, “আজকাল বাগান আর শুধুই ফুলের জন্য নয়, সবজি উৎপাদন ও ঔষধি গাছ চাষের জন্যও ব্যবহৃত হচ্ছে। ভারা তৈরি করে একই সাথে দুটি ফসল চাষ করা যায়। সবুজ জাল ব্যবহার করলে খারাপ আবহাওয়ায়ও বাগান সবুজ থাকে। কৃষকরা পর্যায়ক্রমে গোষ্ঠীর মাধ্যমে এ বিষয়ে জানানো হয়, এবং প্রয়োজনে তারা অফিসের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করতে পারেন।”

No comments:
Post a Comment