জলপাইগুড়ি: বাড়ির পেছনেই উদ্ধার বৃদ্ধার মুণ্ডহীন রক্তাক্ত দেহ। ভোটের আবহে হাড়হিম এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে জলপাইগুড়িতে। জলপাইগুড়ির সীমান্তঘেঁষা বাহাদুর পঞ্চায়েত এলাকায় ঘটেছে এই ঘটনা। শনিবার সকালে বাড়ির পিছন থেকে ওই বৃদ্ধার মুণ্ডহীন দেহ উদ্ধার হয়। চাঞ্চল্যের পাশাপাশি ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মৃতার নাম সামিজা খাতুন বয়স ৭৩ বছর। পরিবারসহ বাড়িতেই থাকতেন তিনি। পরিবারের সদস্যদের দাবী, শুক্রবার রাত ১১টা নাগাদ নাতনির সঙ্গে একই ঘরে ঘুমোতে যান বৃদ্ধা। মাঝরাতে ঝড়ের কারণে একবার ছেলের ঘরে গেলেও পরে আবার নিজের ঘরেই ফিরে আসেন। কিন্তু সকালেই সামনে আসে এই নৃশংস ছবি।
প্রতিদিনের মতো এদিন সকালেও চা খাওয়ানোর জন্য পরিবারের সদস্যরা তাঁকে ডাকতে যান। গিয়ে দেখেন তিনি ঘরে নেই। এরপর খোঁজাখুঁজি শুরু করেন তাঁরা। কিছুক্ষণ পর বাড়ির পিছনেই পড়ে থাকতে দেখা যায় তাঁর রক্তাক্ত দেহ। তবে উধাও মাথা। আর এই দেখে শিউরে ওঠেন পরিবারের সদস্যরা ও স্থানীয় বাসিন্দারা। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় জলপাইগুড়ি কোতোয়ালি থানার পুলিশ।
পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, ওই বৃদ্ধাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা কেটে খুন করা হয়েছে। এখনও পর্যন্ত নিখোঁজ মাথার খোঁজে তল্লাশি শুরু করা হয়েছে। ঘটনাস্থলে ফরেনসিক টিম ও ডগ স্কোয়াড ডাকা হয়। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে জলপাইগুড়ি মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে। ভোটের আগে এমন ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। পুলিশ জানিয়েছে সমস্ত দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনার রহস্য উন্মোচনে শুরু হয়েছে জোর তৎপরতা।

No comments:
Post a Comment