ডিহাইড্রেশনেই বিপদ! গরমে কেন হঠাৎ বাড়ছে কিডনি স্টোন—জানুন বাঁচার সহজ উপায় - Press Card News

Breaking

Post Top Ad

Post Top Ad

Monday, April 20, 2026

ডিহাইড্রেশনেই বিপদ! গরমে কেন হঠাৎ বাড়ছে কিডনি স্টোন—জানুন বাঁচার সহজ উপায়



জলশূন্যতা কিডনিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি বাড়ায়। জলশূন্যতার কারণে গ্রীষ্মকালে এই সমস্যা আরও বেড়ে যায়। এই প্রবন্ধে আমরা কিডনিতে পাথর হওয়ার কারণ এবং রোগীদের প্রতিদিন কী পরিমাণ জল পান করা উচিত, তা আলোচনা করব। সঠিক পরিমাণে জল পান করে কীভাবে এই সমস্যা প্রতিরোধ করা যায়, তা জানতে পড়তে থাকুন।

ঋতু নির্বিশেষে মানবদেহের জলের প্রয়োজন। জল শুধু শরীরকে সতেজই রাখে না, এটি স্বাস্থ্যের জন্যও অপরিহার্য।

যখন আমরা জল পান করি, তখন তা আমাদের শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ বের করে দিতে সাহায্য করে, যার ফলে শরীর বিষমুক্ত হয়। জলের অভাবে শুধু ডিহাইড্রেশনই হয় না, কিডনিতে পাথরের মতো সমস্যাও দেখা দিতে পারে।

কিডনি পাথরের ঝুঁকি বৃদ্ধি

সম্প্রতি কিডনিতে পাথরের সমস্যা দ্রুত বাড়ছে। গ্রীষ্মকালে তাপমাত্রা বাড়লে শরীর ডিহাইড্রেশনের শিকার হয়, যা কিডনিতে পাথর হওয়ার কারণ হতে পারে। এই প্রবন্ধে আমরা জানব কেন কিডনিতে পাথর হয় এবং কিডনি পাথরের রোগীদের প্রতিদিন কী পরিমাণ জল পান করা উচিত।

কখন পাথর তৈরি হয়?

কিডনি আমাদের শরীরের একটি অত্যাবশ্যকীয় অঙ্গ, যা রক্ত ​​পরিস্রাবণের জন্য দায়ী। এটি সোডিয়াম, ক্যালসিয়াম এবং অন্যান্য পুষ্টি উপাদান পরিস্রাবণ করে শরীর থেকে বের করে দেয়। যখন শরীরে খনিজ বা আয়রনের পরিমাণ বেড়ে যায়, তখন কিডনি সেগুলো সঠিকভাবে পরিস্রাবণ করতে পারে না, যার ফলে পাথর তৈরি হয়।

গ্রীষ্মকালে পাথরের ঝুঁকি

গ্রীষ্মকালে ঘামের কারণে শরীর জলশূন্য হয়ে পড়ে, যা কিডনিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। কম জল পান করলে শরীরের লবণ ও খনিজ পদার্থ জমাট বেঁধে যায়, যা থেকে পাথর তৈরি হতে পারে।

দৈনিক জল গ্রহণ

বিশেষজ্ঞদের মতে, যাদের কিডনিতে পাথরের সমস্যা আছে, তাদের প্রতিদিন অন্তত ২ থেকে ৩ লিটার জল পান করা উচিত। যদি কোনো ব্যক্তি শারীরিক পরিশ্রম করেন, তবে তার আরও বেশি জল পান করা উচিত। এছাড়াও, লবণ গ্রহণ কমাতে হবে। পর্যাপ্ত জল পান করলে কিডনি আয়রন ছেঁকে ফেলতে সাহায্য করে।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad